বড়ির মালিকের স্ত্রী গোলবাহার বলেন, দুই মাস হলো আমাদের বাসায় ভাড়া নেয় তারা। আজকে সকালে ঘড়ে তালা দেয়া ছিল। আমরা কিছুই জানতাম না। ওই মেয়ের ভাই দুপুরে কান্না করতে-করতে এসে বললো তার বোন জামাই আসাদুল ফোন করে বলেছে, তোর বোইনরে মাইরা রাখছি লাশ নিয়ে যা। একথা শুনে বুঝতে পারি ভিতরে লাশ আছে। পরে পুলিশে খবর দিলে আইসা দুপুর আড়াইটার দিকে তালা ভেঙ্গে লাশ নিয়া যায়। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ তানিম হাসান বলেন, বৃষ্টির ও তার স্বামীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলে আসছিলো বলে জানা গেছে। তার স্বামী তাকে মেরে দরজার তালা দিয়ে নিহতের আত্মীয় স্বজনকে খবর দেয় লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য৷ পরে তারা আমাদের জানালে আমরা ঘটনা স্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করি।
নিহতের শীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে নির্যাতনের পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে৷ এই ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়ণা তদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের হাসপাতালে পাঠানো হবে। এছাড়া একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি ।