বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন

৩ বছরে এক লাখ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা ইসরাইলি বাহিনীর

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৯ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ৭ অক্টোবরের হামলার পর গত তিন বছরে গাজা, লেবানন, সিরিয়া, ইরান ও ইয়েমেনে প্রায় এক লাখ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গত তিন বছরের সামরিক অভিযান ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে আইডিএফ। এতে বলা হয়েছে, মোট প্রায় ১ লাখ লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে গাজায় ৬৫ হাজার, লেবানন ও সিরিয়ায় ২৮ হাজার, ইরানে ৪ হাজার ৫০০ এবং ইয়েমেনে ৮০টি লক্ষ্যবস্তু ছিল।

জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন দেশ থেকে ইসরাইলের দিকে ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যার হিসাবও দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, সিরিয়া থেকে ৫০টি, ইরান থেকে ১ হাজার ২০০টি, লেবানন থেকে ২০ হাজার, গাজা থেকে ১০ হাজার ২০০টি এবং ইয়েমেন থেকে ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে আইডিএফের হামলায় নিহত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতাদের একটি তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে হিজবুল্লাহ, হামাস ও ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার নাম রয়েছে।

নিহতদের মধ্যে হিজবুল্লাহর সাবেক মহাসচিব হাসান নাসরাল্লাহ ও সংগঠনটির নির্বাহী পরিষদের সাবেক প্রধান হাশেম সাফিয়েদ্দিন, হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সাবেক প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার এবং ইজ্জ আদ-দীন আল-কাসসাম ব্রিগেডের সাবেক কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফের নাম উল্লেখ করেছে আইডিএফ। এছাড়া আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার আলী হাজিজাদেহ ও আইআরজিসির কমান্ডার-ইন-চিফ হোসেইন সালামির নামও রয়েছে।

সামরিক কাঠামোয় পরিবর্তন

প্রতিবেদনে যুদ্ধের সময় বিভিন্ন সামরিক কমান্ডের অর্জন ও শিক্ষার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। আইডিএফের সাউদার্ন কমান্ড প্রায় ৪০টি নতুন সামরিক অবস্থান বা আউটপোস্ট স্থাপন করেছে। গোয়েন্দা বিভাগ গোয়েন্দা তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য একটি বিশেষ ডেটা বিভাগ তৈরি করেছে। হঠাৎ তৈরি হওয়া পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিমানবাহিনী বিশেষ কমান্ড কাঠামো তৈরি এবং মাঠপর্যায়ে কর্তৃত্ব বিকেন্দ্রীকরণের সক্ষমতা বাড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

সেন্ট্রাল কমান্ডের অধীনে পূর্ব সীমান্তে ৯৬তম ‘গিলিয়াদ’ ডিভিশন এবং আঞ্চলিক প্রতিরক্ষার জন্য ডেড সি এয়ার কমান্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। হোম ফ্রন্ট কমান্ড সতর্কতা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি হুমকির ধরন ও অবস্থান অনুযায়ী সতর্কবার্তা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর কাজ করেছে। এছাড়া আইডিএফের প্রযুক্তি ও লজিস্টিকস বিভাগ অস্ত্র ও সামরিক অবকাঠামো দ্রুত মেরামত করে আবার কার্যকর করার জন্য ‘অ্যাকসেলারেশন’ কর্মসূচি চালু করেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আইডিএফের ৯৭০ জন সেনা নিহত হয়েছেন। আহত সেনাদের ৭০ শতাংশের বেশি আবার দায়িত্বে ফিরেছেন। একই সময়ে রিজার্ভ সেনার সংখ্যা প্রায় ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। গত তিন বছরে আইডিএফে নতুন নয়টি ডিভিশনও গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘হাশোমের ব্রিগেড’, ‘ডেভিড ব্রিগেড’ এবং ৩৮তম ডিভিশনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৭ অক্টোবর ২০২৬,/বিকাল ৪:৫৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit