বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নির্বিঘ্নে পূজা সম্পন্নে আইজিপিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের ধন্যবাদ ব্যাটিং ধসের পর হাল ধরেছেন সাইফ-ইমন শান্তিপ্রিয়ভাবে পূজা করতে পেরে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা : মৎস্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৩৭৩ চা-রুটিতে নির্ভরতা, পুষ্টিহীন হয়ে পড়ছে গাজার শিশুরা রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের জরুরি বার্তা, সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা নওগাঁয় সিদুর খেলার মধ্যে দিয়ে দূর্গা মাকে বিদায় দিলেন ভক্তরা খাগড়াছড়িতে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব উদযাপন হচ্ছে: ওয়াদুদ ভূইয়া এমপি। নওগাঁয় বড় বোন হত্যায় ছোট ভাইসহ গ্রেপ্তার ৫ নোয়াখালীতে মাদক সেবনের দায়ে দুজনের কারাদণ্ড

গোল-অ্যাসিস্ট ছাড়াই যে কারনে ‘গোল্ডেন বল’ জিতলেন রদ্রি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ৪২ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপ মানেই গোল, অ্যাসিস্ট আর তারকাদের ঝলক। তবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে সেই চেনা গল্পের বাইরে গিয়ে নতুন এক ইতিহাস লিখলেন স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রি। পুরো টুর্নামেন্টে একটি গোল বা অ্যাসিস্টও না করেও জিতে নিয়েছেন বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ‘গোল্ডেন বল’।

স্পেনের বিশ্বজয়ের নেপথ্যের অন্যতম কারিগর ছিলেন ম্যানচেস্টার সিটির এই মিডফিল্ডার। মাঝমাঠে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণ তৈরি এবং রক্ষণে সহায়তা—সব মিলিয়ে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলের প্রাণভোমরা ছিলেন রদ্রি। ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষেও তিনি ছিলেন স্পেনের মিডফিল্ডের প্রধান ভরসা।

পুরো বিশ্বকাপে স্পেন মাত্র একটি গোল হজম করেছে। দলের এই দুর্দান্ত রক্ষণভাগের পেছনেও ছিল রদ্রির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। প্রতিপক্ষের আক্রমণ ভেঙে দেওয়া থেকে শুরু করে দ্রুত বলের দখল ফিরিয়ে এনে আক্রমণ গড়ে তোলা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি।

পরিসংখ্যানও বলছে, পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে মাঝমাঠে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল রদ্রির। আট ম্যাচে তিনি ৬৫০টিরও বেশি সফল পাস সম্পন্ন করেছেন, যা বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা রেকর্ড। একই সঙ্গে সব খেলোয়াড়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হাই-ইনটেনসিটি রান এবং সর্বোচ্চ দূরত্ব অতিক্রম করার কৃতিত্বও তাঁর ঝুলিতে।

শুধু পাসিং নয়, রক্ষণেও ছিলেন সমান কার্যকর। ফিফার পারফরম্যান্স ইনসাইটসের তথ্য অনুযায়ী, কাউন্টার-প্রেসিংয়ের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি বল পুনরুদ্ধার করেছেন রদ্রিই। অর্থাৎ বল হারানোর পর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করে বল নিজেদের দখলে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে তিনিই ছিলেন টুর্নামেন্টের সেরা। এই নীরব কিন্তু অসাধারণ অবদানই স্পেনের মাঝমাঠকে করেছে অপ্রতিরোধ্য।

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালে জয়সূচক গোল করেন ফেরান তোরেস। তবে পুরো ম্যাচে স্পেনের খেলার ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করেছেন রদ্রিই। ম্যাচে তিনি ১০৬টি পাস দেন, যার মধ্যে ১০১টিই সফল। এছাড়া ৯টি লং পাসের ৮টিই লক্ষ্যভেদ করে।

রদ্রির দারুণ নিয়ন্ত্রণের কারণে পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনা লক্ষ্যে একটি শটও রাখতে পারেনি। মাঝমাঠে প্রতিপক্ষের আক্রমণ ভেঙে দেওয়া এবং দ্রুত বলের দখল ফিরিয়ে আনার কাজটিই নিখুঁতভাবে করেছেন তিনি।

বিশ্বকাপের ‘গোল্ডেন বল’ সাধারণত এমন ফুটবলারের হাতেই ওঠে, যিনি গোল বা অ্যাসিস্টে সবচেয়ে বেশি প্রভাব রাখেন। কিন্তু এবার ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুরস্কার নির্ধারণী জুরি। গোলের চেয়ে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রদ্রির প্রভাবকে বেশি গুরুত্ব দিয়েই তাঁকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত করা হয়েছে।

ফাইনাল শেষে অনন্য রদ্রি নিজের অনুভূতি জানিয়ে বলেন, ‘এখনো আমরা যেন বিশ্বাসই করতে পারছি না। মনে হচ্ছে যেন মেঘের ওপর ভাসছি। সত্যি বলতে, এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’

এদিকে, আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি টুর্নামেন্টে ৮ গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করে গোল্ডেন বলের অন্যতম দাবিদার ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত বিচারকদের ভোটে এগিয়ে থেকে পুরস্কার জিতে নেন রদ্রি।

কিউএনবি/অনিমা/২০ জুলাই ২০২৬,/বিকাল ৩:৫৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit