বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাবির মুহসীন হল থেকে গুমের ৭ বছর পার হলেও ন্যায়বিচার পাননি কোটা আন্দোলনের নেতা জালাল সন্তান গোপনে আপত্তিকর ভিডিও দেখার আগেই যেভাবে সাজাবেন ফোনের সেটিংস র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে প্রবাসীদের সঞ্চয় থেকে চলতি মূলধন ঋণ দেওয়া যাবে ইরান ইস্যুতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে ‘ভুল পদক্ষেপ’ বলল চীন পুরোনো মুখ ভুলে নতুনদের দেখেই খুশি ‘হ্যারি পটার’ ভক্তরা ঢাকার চারপাশের নদী রক্ষায় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের নিয়ে কেন্দ্রীয় সেল গঠন ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়া কোনো স্লোগান নয়, পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী সন্তানদের বিষয়ে যে পরামর্শ কারিনার সোলার প্যানেল বসানোর আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি

সন্তান গোপনে আপত্তিকর ভিডিও দেখার আগেই যেভাবে সাজাবেন ফোনের সেটিংস

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১১ Time View

লাইফ স্টাইল ডেস্ক : সন্তানের ইন্টারনেটে আপত্তিকর কিংবা খারাপ ভিডিও দেখা বন্ধ করতে ফোনের গুগলের SafeSearch, প্লে স্টোরের Parental Controls এবং আইফোনের Content Restrictions সেটিংস পরিবর্তন করতে হবে। ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের এই যুগে সন্তানদের অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্ট থেকে দূরে রাখতে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে ফোনের সেটিংস সাজিয়ে নিন। 

কৌতূহলবশত কিংবা ভুল করে শিশুরা এসব কনটেন্টের সামনে চলে আসতে পারে। তাই সন্তানের হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার পর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস চালু করে রাখা বাবা-মায়ের জন্য একান্ত জরুরি। আর শুধু ফোন কেড়ে নেওয়া কিংবা সারাক্ষণ নজরদারি করার বদলে স্মার্টফোনের নিজস্ব প্যারেন্টাল কন্ট্রোল এবং স্ক্রিন টাইমের মতো সুবিধা ব্যবহার করেও অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

আর শুধু ফোনের সেটিংস পরিবর্তন করলেই হবে না। ইউটিউবে উপযুক্ত রেস্ট্রিকটেড মোড বা শিশুর জন্য থাকা অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করা যেতে পারে। সন্তানের ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্য কোনো সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্ট থাকলে প্রাইভেসি সেটিংস-ও পরীক্ষা করুন। অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট রাখা, অপরিচিত ব্যক্তির যোগাযোগ সীমিত করা এবং সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট ব্লক বা রিপোর্ট করার নিয়ম শিশুকে শেখানো জরুরি।

এ ছাড়া ফোনে নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু রাখার পাশাপাশি সন্তানের সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলা অত্যন্ত জরুরি। সে কোন অ্যাপ ব্যবহার করছে বা অনলাইনে কী ধরনের কনটেন্ট দেখছে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবে আলোচনা করা জরুরি। কোনো অনুপযুক্ত কনটেন্ট চোখে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে বকাঝকা না করে কেন সেটি তার বয়সের জন্য উপযুক্ত নয়, তা বোঝানোর চেষ্টা করুন। এতে অনলাইনে কোনো সমস্যায় পড়লে সন্তান বিষয়টি বাবা-মায়ের কাছে সহজে জানাতে পারবে।

আবার অ্যাডাল্ট কনটেন্টের পাশাপাশি সাইবারবুলিং, অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ এবং ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার ঝুঁকি সম্পর্কেও শিশুকে সচেতন করুন। প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত নজরদারি এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের বিশ্বাসযোগ্য সম্পর্ক— এই তিনটি একসঙ্গে থাকলেই অনলাইন ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

আপনি চাইলেও কখনো সন্তানকে ইন্টারনেট থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারবেন না। এবং তা সম্ভবও নয়; প্রয়োজনীয়ও নয়। অনলাইনে পড়াশোনা ও শিক্ষামূলক কনটেন্টের পাশাপাশি নানা ধরনের ভালো তথ্যও পাওয়া যায়। তাই লক্ষ্য হওয়া উচিত ফোন বন্ধ করে দেওয়া নয়, বরং নিরাপদভাবে ব্যবহার শেখানো।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/রাত ১০:৫০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit