স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপের পর্দা নামতে আর বাকি মাত্র দুটি ম্যাচ। তার আগে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ইউরোপের দুই পরাশক্তি ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড।
সেমিফাইনালে হেরে ফাইনালের স্বপ্ন ভাঙার পর দুই দলই এখন অন্তত তৃতীয় স্থান নিয়েই টুর্নামেন্ট শেষ করতে চায়। স্পেনের কাছে হেরে বিদায় নেয় ফ্রান্স, আর আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে হেরে ফাইনালের সুযোগ হাতছাড়া করে ইংল্যান্ড।
তবে এই ম্যাচ নিয়ে দুই শিবিরেই খুব একটা উচ্ছ্বাস নেই। ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল বলেছেন, কোনো খেলোয়াড়ই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে চায় না, সবার লক্ষ্য থাকে ফাইনালে ওঠা। তবুও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে, ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশঁমের দায়িত্বে এটাই শেষ ম্যাচ। ১৪ বছরের সফল অধ্যায়ের ইতি টানার আগে অন্তত জয় দিয়ে বিদায় নিতে চান তিনি। দেশঁমের অধীনে ফ্রান্স ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জিতেছে, ২০২২ সালে রানার্সআপ হয়েছে এবং এবারও শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে।
সেমিফাইনালে হারের পর দেশঁম বলেন, ফাইনালে না উঠতে পারার হতাশা থাকলেও তৃতীয় স্থান অর্জনের সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না তারা।
এই ম্যাচটি গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও গুরুত্বপূর্ণ। ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এখন পর্যন্ত সমান আটটি করে গোল করেছেন। ফলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল করে শীর্ষে ওঠার সুযোগ থাকবে এমবাপ্পের সামনে।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন ও জুড বেলিংহ্যামের ঝুলিতে রয়েছে ছয়টি করে গোল। এই ম্যাচে বড় কিছু করতে পারলে তারাও আবার গোল্ডেন বুটের দৌড়ে ফিরতে পারেন।
এছাড়া ৩৩ বছরে পা রাখতে যাওয়া হ্যারি কেনের জন্য এটি বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচও হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই ফাইনালের হতাশা ভুলে অন্তত জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে দুই দল।
কিউএনবি/অনিমা/১৭ জুলাই ২০২৬,/বিকাল ৩:৩১