মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন

সক্ষমতা যাচাইয়ে মার্কিন সেনাদের টেস্টোস্টেরন পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করলেন হেগসেথ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৬ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ৩০ বছরের বেশি বয়সী সেনাসদস্যদের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা পরীক্ষা চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। নতুন এ নীতির উদ্দেশ্য সেনাদের যুদ্ধ সক্ষমতা ও শারীরিক প্রস্তুতি মূল্যায়ন করা বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে নারী সেনাসদস্যদের ক্ষেত্রে এ নীতি কীভাবে কার্যকর হবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

নতুন নীতির আওতায় টেস্টোস্টেরন পরীক্ষা সেনাবাহিনীর নিয়মিত বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হবে। ৩০ বছরের কম বয়সী সেনাসদস্যরা চাইলে স্বেচ্ছায় এ পরীক্ষা করাতে পারবেন।

এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় হেগসেথ বলেন, সেনাসদস্যদের প্রতিদিন সর্বোচ্চ মানসিক ও শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হয়। নতুন পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের শরীরে প্রয়োজনীয় টেস্টোস্টেরনের মাত্রা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, কারও টেস্টোস্টেরনের মাত্রা নির্ধারিত সীমার নিচে থাকলে তিনি চাইলে টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি নিতে পারবেন। তবে কেউ এই চিকিৎসা নিতে অস্বীকৃতি জানালে কী হবে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।

এ সিদ্ধান্ত নারী সেনাসদস্যদের ক্ষেত্রেও প্রশ্ন তৈরি করেছে। কারণ নারীদের শরীরে স্বাভাবিকভাবে পুরুষদের তুলনায় অনেক কম টেস্টোস্টেরন থাকে। তবে তাদের জন্য আলাদা কোনো নীতি থাকবে কি না, সে বিষয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বা পেন্টাগন এখনো কিছু জানায়নি।

ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান প্রমিলা জয়াপাল এই কর্মসূচিকে জেন্ডার অ্যাফার্মিং কেয়ারের একটি রূপ হিসেবে উল্লেখ করে সমালোচনা করেছেন। তার দাবি, এই পদক্ষেপ রিপাবলিকানদের আগের অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

পিট হেগসেথ অবশ্য এই কর্মসূচিকে সেনাদের সহনশীলতা, কর্মদক্ষতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, তার লক্ষ্য সেনাবাহিনীকে আরও যুদ্ধপ্রস্তুত করে তোলা এবং বাহিনী থেকে তথাকথিত ‘ওয়োক’ সংস্কৃতি দূর করা।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই হেগসেথ একাধিক বিতর্কিত সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। এর মধ্যে জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের পদোন্নতি স্থগিত, কয়েকজন জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া এবং বাহিনীর নীতিগত পরিবর্তনের উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য।

পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় দায়িত্বে থাকা নারী সেনাসদস্যের সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ৭৪১ জন, যা মোট সক্রিয় বাহিনীর ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

কিউএনবি/অনিমা/১৬ জুলাই ২০২৬,/রাত ১১:৫৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit