মোদি সরকারের দাবি অনুযায়ী, ওই সংঘাতে মোট ছয়জন সেনাসদস্য নিহত হন। তাদের মধ্যে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাঁচজন এবং ভারতীয় বিমানবাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন।
এক সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেসের সেনাসদস্যবিষয়ক বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল রোহিত চৌধুরী এবং অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার অনূমা আচার্য অভিযোগ করেন, নিহত ছয় সেনাসদস্যের মৃত্যুর তথ্য গোপন রেখে সরকার তাদের প্রাপ্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সম্মান থেকে বঞ্চিত করেছে।
উইং কমান্ডার অনূমা আচার্যের দাবি, অতীতের সরকারগুলো দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো প্রতিটি সেনাসদস্যকে প্রকাশ্যে সম্মান জানিয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।
তিনি বলেন, ‘মোদি সরকার সেনাবাহিনী ও সেনাসদস্যদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে। তারা বারবার দেশ ও সেনাসদস্যদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।’
অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল রোহিত চৌধুরীর অভিযোগ, ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি ভোটের সময় সেনাবাহিনীর নাম ব্যবহার করে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে। তার ভাষ্য, ‘প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সংসদে বলেছিলেন, কোনও সেনাসদস্য নিহত হননি। তখন বিজেপির সংসদ সদস্যরা হাততালি দিয়েছিলেন। রাজনাথ সিং দেশের সেনাবাহিনী ও সেনাসদস্যদের অপমান করেছেন। আমরা তার পদত্যাগ দাবি করছি।’
এ সময় তিনি প্রশ্ন তোলেন, নিহত সেনাসদস্যদের নাম প্রকাশ করতে সরকারের ১৩ মাস সময় লাগল কেন। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তিনি আরও জানান, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে সংসদে বিশেষ অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনার জন্য দলীয় নেতৃত্বকে অনুরোধ জানানো হবে।