মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের গুদাম এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান আরও জোরদার করবে।
পাল্টা কঠোর অবস্থান নিয়েছে আইআরজিসিও। তাদের দাবি, কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে মার্কিন নৌবহরের ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এটি মার্কিন হামলার জবাব।
আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব তেহরানের হাতেই থাকবে। ভবিষ্যতে কোনো ধরনের আগ্রাসন হলে তার জবাব হবে আরও কঠোর।
এদিকে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আশঙ্কায় বাহরাইনে আবারও সতর্কতামূলক সাইরেন বাজছে। কুয়েত জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের শঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে।