স্পোর্টস ডেস্ক : ভারত ম্যাচটি জিতেছে ১০০ রানে। ৯ উইকেটে তাদের ৪১১ রানের জবাবে ৩১১ রানে অলআউট হয়েছে ইংল্যান্ড। এর মাধ্যমে অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে হেক্সা পূরণ হলো ভারতের, তারা প্রতিযোগিতাটির সবচেয়ে সফল দল। ২০০০ সালে প্রথম শিরোপা জেতা দলটি এরপর চ্যাম্পিয়ন হয় ২০০৮, ২০১২, ২০১৮ ও ২০২২ সালে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪টি শিরোপা আছে অস্ট্রেলিয়ার যুবাদের।
সূর্যবংশীর তাণ্ডব চালানো ম্যাচে শিরোপা জিততে ইংল্যান্ডকে তার মতোই কাউকে প্রয়োজন ছিল। কিন্তু কেউ সূর্যবংশী হতে পারলেন না। যদিও পাঁচ নম্বরে নামা ফালকোনার চেষ্টা জারি রেখেছিলেন, শেষ ব্যাটার হিসেবে তিনি আউট হন ৬৭ বলে ১১৫ রান করে। কয়েকটি উইকেট থাকলে ইংল্যান্ডের জয় অসম্ভব ছিল না, দলটি অলআউট হয়েছে ৯.৪ ওভার হাতে রেখে।
তাদের শুরুটা অবশ্য খারাপ হয়নি। ১৯ রানে প্রথম উইকেট হারিয়ে ফেলা দলটি ৭৪ রানের জুটি গড়ে দ্বিতীয় উইকেটে। জোসেফ মুরস ১৭ রানে আউট হওয়ার পর বেন মায়েস ২৮ বলে ৪৫ রান করে বিদায় নেন। বেন ডওকিন্স থমাস রিউর সঙ্গে জুটি বেধে বোর্ডে যোগ করেন ৪৯ রান।
ডওকিন্স ৬৬ রান করে আউট হলে ব্যাটিং ধস নামে। পরের ৩ রানের মধ্যে তারা হারিয়ে ফেলে আরও ৩ উইকেট। ফারহান আহমেদ রানের খাতা খুললেও রালফি আলবার্ট ও সেবাস্তিয়ান মরগ্যান শূন্য রানে বিদায় নেন। টেলএন্ডার জেমস মিন্টোকে নিয়ে এরপর লড়াই শুরু হয় ফালকোনারের। মিন্টো ২৮ রান করে দিনের সবচেয়ে সফল বোলার আরএস অমব্রিশের শিকার হন। অমব্রিশ ৫৬ রানে নেন ৩ উইকেট। এরপর স্কোরবোর্ডে উঠে আর ৪২ রান।
প্রত্যাশিতভাবেই ম্যাচসেরা হয়েছেন সূর্যবংশী। আজকের ইনিংস দিয়ে যুব ওয়ানডের ইতিহাসে দ্রুততম ১৫০ (৭১ বলে), সর্বোচ্চ ছক্কা (১৫) ও দ্বিতীয় দ্রুততম শতকের (৫৫ বলে) রেকর্ডগড়া এই ব্যাটার আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক। ৭ ম্যাচে ৪৩৯ রান করেছেন ৬২.৭১ গড়ে। স্ট্রাইকরেট দেখে বোঝার উপায় নেই ফরম্যাটটি টি-২০ নাকি ওয়ানডে। ১৬৯.৪৯ স্ট্রাইকরেটে ব্যাট করেছেন তিনি। সর্বোচ্চ ৪৪৪ রান করেছেন মায়েস।
কিউএনবি/আয়শা/০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/রাত ৯:৫৪