তবে তেলেভাজা স্বাস্থ্যকর করারও উপায় আছে।
তেলেভাজাকে কখনোই স্বাস্থ্যকর খাবার বলা যায় না। তেলে ভাজা খাবার বেশি খেলে অতিরিক্ত পরিমাণে স্নেহ পদার্থ শরীরে প্রবেশ করে। দোকানে যে ধরনের তেল ব্যবহার করা হয়, তা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়।
কিন্তু বাড়িতে ভাজাভুজি করলে কিছু সতর্কতা অবশ্যই মেনে চলা যায়। ভাজাভুজি মুচমুচেও হবে আর তেলও কম টানবে, এমনটা চাইলে কাজে লাগতে পারে এক চিমটি লবণ।
চপ, শিঙাড়া, ফিশফ্রাই হোক বা লুচি, ডুবো তেলে না ভাজলেই নয়। তবে তেল গরম করার সময় তার মধ্যে এক চিমটি লবণ ফেলে দিলে ম্যাজিক হতে পারে। ভাজাপোড়া মুচমুচে হয় না বলে যারা আফসোস করেন, তাদের জন্য এই টোটকা দারুণ কাজে আসতে পারে।
গরম তেলে লবণ দিয়ে তার পর ভাজাভুজি দিলে তা অনেক বেশি মুচমুচেও হয়, আর ভাজাগুলো ভাজতে সময়ও অনেকটা কম লাগে। লুচি ভাজার সময়েও তেলের মধ্যে লবণ দিয়ে দেখতে পারেন। লুচি ভাজার পর তুলতে গিয়ে অনেক সময়েই সঙ্গে অনেকটা তেল উঠে আসে, তেলে লবণ দিয়ে দিলে কিন্তু লুচির গায়ে বাড়তি তেল লেগে থাকবে না।