ডেস্ক নিউজ : বিশ্ববাজারে ওঠানামা করলেও দেশের বাজারে বেড়েই চলছে স্বর্ণের দাম। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এক ভরি ভালো মানের স্বর্ণ কিনতে খসাতে হবে আড়াই লাখেরও বেশি টাকা। এ অবস্থায় বিদেশ থেকে স্বর্ণ আনা হতে পারে অন্যতম ও বুদ্ধিমানের কাজ।
তবে ঠিক কী পরিমাণ স্বর্ণ-গহনা আনতে পারবেন এবং কতটুকুর বেশি স্বর্ণ আনতে হলে দিতে হবে শুল্ক-কর, তা জানতে হবে।ইউরোপ, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য অথবা অন্য দেশ থেকে দেশে ফেরার সময় শুল্কমুক্ত সুবিধায় স্বর্ণের গহনা আনতে পারবেন। আবার নির্দিষ্ট পরিমাণ শুল্ক দিয়ে স্বর্ণের বার দেশে আনার সুযোগ আছে।
অপর্যটক যাত্রীদের ব্যাগেজ রুলসের আওতায় স্বর্ণের অলংকার ও স্বর্ণের বার আনার সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। ২০২৫ সাল থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই বিধিমালা জারি করেছে।
কতটুকু স্বর্ণের গহনা শুল্কমুক্ত
নতুন ব্যাগেজ বিধিমালা (অপর্যটক যাত্রী ব্যাগেজ বিধিমালা, ২০২৫) অনুযায়ী, বিদেশ থেকে ফেরা কোনো যাত্রী বছরে একবার সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম পর্যন্ত সোনার অলংকার শুল্কমুক্তভাবে আনতে পারবেন। অর্থাৎ প্রায় ৮ ভরি ১০ আনার সোনার গহনা আনলেও কোনো শুল্ক দিতে হবে না।
রুপার অলংকার আনার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ গ্রাম। তবে স্বর্ণ বা রুপা—যেটিই হোক না কেন, একই ধরনের গহনা ১২টির বেশি আনা যাবে না। এ ছাড়া নতুন বিধিমালার আওতায় তোলাপ্রতি ৫ হাজার টাকা শুল্ক দিয়ে একজন যাত্রী বছরে একবার সর্বোচ্চ ১০ তোলা ওজনের একটি সোনার বার আনতে পারবেন।
কীভাবে আনবেন
বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর যাত্রীদের একটি ফরম পূরণ করতে হয়—ব্যাগেজ ঘোষণা ফরম। এই ফরমে যাত্রীর নাম, পাসপোর্ট নম্বর, ফ্লাইট নম্বর, জাতীয়তা এবং কোন দেশ থেকে এসেছেন—এ ধরনের তথ্য উল্লেখ করতে হয়। পাশাপাশি শুল্কযোগ্য কোনো পণ্য থাকলে তার বিবরণও দিতে হয়।
তবে যদি কারও সঙ্গে ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার বা ২০০ গ্রাম রুপার অলংকারের কম থাকে, তাহলে এই ফরম পূরণের প্রয়োজন নেই। কিন্তু নির্ধারিত সীমার বেশি হলে অতিরিক্ত অংশের জন্য শুল্ক দিতে হবে। ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী যেসব পণ্যের ওপর শুল্ক প্রযোজ্য নয়, সেসব পণ্য নিয়ে যাত্রীরা গ্রিন চ্যানেল দিয়ে সরাসরি বিমানবন্দর ত্যাগ করতে পারবেন।
কিউএনবি/আয়শা/০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/রাত ৮:১২