শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ন

প্রতিদিন ৩ লিটার পানি টানা ৩০ দিন খেলে শরীরে যে পরিবর্তন আসবে

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৭ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা, অস্থিসন্ধির নমনীয়তা বজায় রাখা এবং শরীরের নানা অংশে প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ পৌঁছে দেওয়া— এসবই হচ্ছে পানির কাজ। সুতরাং সারাদিনে কে কতটুকু পানি খাচ্ছেন, তা ওপর সাধারণ মানুষের মনে নানা ধরনের প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে। কেউ মনে করেন সারাদিনে ২ থেকে ২.৫ লিটার পানি খেলেই চলবে। আবার যাদের প্রচণ্ড ঘাম হয়, তারা মনে করেন— পানি খাওয়ার পরিমাণ তিন লিটারেরও বেশি হওয়া উচিত।

এ বিষয়ে পুষ্টিবিদরা বলছেন, আমাদের দেহের যা ওজন, তার বেশিরভাগটাই পানি। বেঁচে থাকার জন্য পানির প্রয়োজন অপরিহার্য। শারীরবৃত্তীয় কোনো কাজই পানি ছাড়া সম্ভব নয়। কারণ মূত্রের মাধ্যমে শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর করা পানি ছাড়া অসম্ভব। তাই সুস্থ থাকতে চিকিৎসক থেকে পুষ্টিবিদ— সবাই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খান। এখন আপনি যদি টানা ৩০ দিন প্রতিদিন তিন লিটার করে পানি পান করে থাকেন, তাহলে আপনার শরীরে বিশেষ পরিবর্তন আসতে পারে? এ বিষয়ে পুষ্টিবিদ বিধি চাওলা বলেছেন, নিয়ম করে টানা এক মাস পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে প্রথমেই যে বিষয়টি নজরে পড়বে, তা হলো ত্বক। ত্বকের আর্দ্রতাজনিত সমস্যা আর থাকবে না।

ডিহাইড্রেশনের কারণে অনেক সময়ে মাথাব্যথা হয়। সেই সমস্যাও মিটবে। খাবার হজম হবে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে এবং কিডনিতে পাথর জমার ঝুঁকিও থাকবে না। তবে এই তিন লিটার পানি খাওয়ার তত্ত্ব সবার শরীরে একই রকমভাবে প্রভাব না-ও ফেলতে পারে। প্রচণ্ড গরম আবহাওয়া থাকলে, ঘাম ঝরে এমন কাজ করলে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়া প্রয়োজন। তবে দেহের ওজন, বয়স, অন্যান্য শারীরিক পরিস্থিতি সেসব বিষয় খুঁটিয়ে পর্যালোচনা করে তবেই পানির পরিমাণ নির্ধারণ করবেন বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদ বিধি চাওলা। পুষ্টিবিদ বিধি চাওলা বলেন, যারা শারীরিকভাবে বিশেষ সক্রিয় নন, খুব একটা গরম আবহাওয়ায় থাকেন না, খুব একটা ঘামও হয় না; তাদের প্রতিদিন তিন লিটার করে পানি খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তাতে উপকারের বদলে বরং ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত পানি খাওয়া কিংবা একসঙ্গে অনেকটা পরিমাণ পানি খাওয়া— দুটিই সমস্যার কারণ। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পানি খেলে দেহে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হয়। সেই সঙ্গে সোডিয়ামের ঘনত্ব কমে যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় যাকে ‘হাইপোনেট্রিমিয়া’ বলা হয়। এ পুষ্টিবিদ বলেন শরীরে সোডিয়ামের ঘাটতি হলে মস্তিষ্কের কোষগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। মাথায় অত্যধিক চাপ পড়ে এবং মাথাব্যথা হয়। পেশিতে টান ধরে। অনেকের আবার বমি বমি ভাবও দেখা যায়। যারা কিডনি কিংবা হার্টের রোগে ভুগছেন, তাদেরও অতিরিক্ত পানি খাওয়া ভালো নয়।

 

কিউএনবি/আয়শা/২৫ জানুয়ারী ২০২৬,/রাত ১০:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit