সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন

যুদ্ধের মধ্যে প্রথমবার বৈঠকে ইউক্রেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৮ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে প্রথমবারের মতো ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ইউক্রেন, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র অংশ নিয়েছে। 

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ২০২২ সালে মস্কোর পূর্ণ আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর এটি ছিল তিন দেশের প্রথম সরাসরি আলোচনার সুযোগ। যদিও বৈঠকের ধরন কিছুটা পরিবর্তিত ছিল, তবু মতপার্থক্যের মূল বিষয়গুলো অটুট রয়েছে। ফলে বৈঠকের ফলাফলকে গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রত্যাশা সীমিত বলে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন শান্তি চুক্তি নিয়ে চাপ দিয়ে আসছেন। চলতি সপ্তাহে তিনি বলেছেন, দুই পক্ষ একমত না হলে পরিস্থিতি ‘স্টুপিড’ হয়ে যাবে। তার কূটনৈতিক চাপ সত্ত্বেও, কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এখনও সমাধান হয়নি। ইউক্রেন বৈঠকে অংশ নিয়েছে কারণ তারা শান্তি চাইছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তাও প্রয়োজন।
গত বছর ট্রাম্প সামরিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতা স্থগিত করেছিলেন, এটি ইউক্রেনের কাছে তিক্ত অভিজ্ঞতা হিসেবে রয়ে গেছে এখনো। এবার জেলেনস্কি বলেছেন, দাভোসে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনাটি ‘ইতিবাচক’ ছিল এবং এর ফলে তারা আরও আকাশ প্রতিরক্ষা সহায়তা আশা করছেন। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আলোচনার ফলাফলে তিনি এখনও সতর্ক। বৈঠককে তিনি শুধু একটি পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
শান্তি চুক্তি নিয়ে জেলেনস্কি বলছেন, তারা প্রায় ৯০ শতাংশ অগ্রগতি করতে পেরেছে, তবে শেষ ১০ শতাংশ এখনও নাগালের বাইরে রয়ে গেছে। বিশেষত রাশিয়া পূর্ব ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চল থেকে ব্যাপক জমির মালিকানা দাবি করছে, যা ইউক্রেন প্রত্যাখ্যান করে আসছে প্রথম থেকেই।
ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল, রাশিয়া যদি আবারো হামলা চালায়, তখন যুক্তরাষ্ট্র কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে। ইউক্রেন ‘নিরাপত্তা নিশ্চয়তা’ চাচ্ছে এবং এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে, যদিও বিস্তারিত জানা যায়নি।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিশ্চিতকরণ কতটা নির্ভরযোগ্য হবে তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। তার নীতি বিভিন্ন ক্ষেত্রে পশ্চিমা সমর্থন দুর্বল করেছে, যা ইউক্রেনের স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে আপাতত ইউক্রেনের হাতে বিকল্প সীমিত। 
উভয়পক্ষের মধ্যে আস্থা স্বল্প থাকলেও, জেলেনস্কি মনে করেন পুতিন এখনো শান্তি চাচ্ছেন না। ক্রেমলিন বলছে, আলোচনায় তাদের দাবি না মানা হলে তারা যুদ্ধের মাধ্যমে নিজেদের লক্ষ্য পূরণ করবে তারা। ইতোমধ্যেই তারা দেশজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোকে টার্গেট করছে। 
কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিটসকো শহরের বাসিন্দাদের সতর্ক করেছেন, যাদের যাবার জায়গা আছে তারা শহর ছেড়ে নিরাপদে যান। শহরের অবকাঠামো ও জীবনযাত্রা মারাত্মক চাপের মুখে রয়েছে এবং সবচেয়ে কঠিন সময় এখনো আসেনি।

 

কিউএনবি/খোরশেদ/২৪ জানুয়ারী ২০২৬,/দুপুর ১:২২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit