জালাল আহমদ, ঢাকা : বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহি আকবর বলেছেন, “জেনারেশন জেড খুবই সচেতন।আগামীতে যে ই সরকারে আসুক না কেন, তাকে ন্যায্য শাসন দিতে হবে ।না হলে এই প্রজন্ম মানবে না । আজ ৭ জানুয়ারি (২০২৬)বুধবার দুপুরে রাজধানী ঢাকার মহাখালীর রাওয়া ক্লাবের লেডিস্ ক্লাব হলরুমে “সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা, নিরাপদ পর্যাটক বান্ধব পার্বত্য অঞ্চল গঠন ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতকরণ” শীর্ষক সেমিনারে তিনি এই কথা বলেন।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুজিবুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ মোস্তফা আল ইহযায। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ আবু তাহের। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন লেঃ জেনারেল ড. আমিনুল করিম, বিশেষ অতিথি ছিলেন মেজর জেনারেল সরওয়ার হোসাইন, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শাহজালাল, কর্নেল শাহাদাত হোসেন, কর্নেল এস কে আকরাম অবঃ, মেজর আমিন আফসারী অবঃ, কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান, অবঃ, মেজর হারুনুর রশিদ, মেজর মাসউদুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা এড. আফাজুল হক, রাষ্ট্রদূত সাকিব আলী সহ পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে আগত নেতৃবৃন্দ সহ অনেকেই।
এ সময় প্রধান আলোচক হিসেবে মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহি আকবর বলেন, মালয়েশিয়া সরকার তাদের দেশে পার্বত্য এলাকায় অনেক কৃত্রিম লেক নির্মাণ করেছে ।পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটন শিল্প বিকাশের জন্য এই ধরনের লেক বানানো খুবই প্রয়োজন । তাহলেই একটা হেলথি পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে উঠবে । কাজী মুজিবুর রহমান বলেন, পূর্ব তিমুর ও দক্ষিণ সুদানের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামে খ্রিষ্টান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমেরিকা চেষ্টা করছে । ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীতে বসে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এবং ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা তাদের কে সহযোগিতা করছে । পার্বত্য চট্টগ্রামে ইদানীং আমেরিকান খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের লোকজনের আনাগোনা বেড়েছে ।
তিনি এ সময় বলেন, আমরা পার্বত্য চট্টগ্রাম কে রক্ষার লক্ষ্যে প্রয়োজনে একাত্তরের যুদ্ধের মতোই আরেকটি যুদ্ধ করতে চাই ।শাহাদাতের তামান্নার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি ।ইনশাআল্লাহ । সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ মোস্তফা আল ইহযায বলেন, সম্প্রতি সময়ে ফুরমোন পাহাড়ে ঘুরতে আসা পর্যটকরা প্রায়ই ইউপিডিএফের অস্ত্রধারী সদস্যদের দ্বারা হুমকি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তারা পর্যটকদের তল্লাশির নামে মোবাইল ফোন ছিনতাই, বড় অঙ্কের চাঁদা দাবি এবং নারী পর্যটকদের সঙ্গে অশোভন আচরণের মতো ঘটনাও ঘটাচ্ছে। পর্যটকরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধর করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের ঘুরতে যাওয়া পর্যটকদের কাছে পাহাড়ি এলাকা ধীরে ধীরে আতঙ্কের জায়গায় পরিণত হচ্ছে।
কিউএনবি/আয়শা/৭ জানুয়ারী ২০২৬,/সন্ধ্যা ৬:০০