বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‘ইশ! যদি সত্যিই জাদুকর হতাম!’ — যে আফসোস নিয়ে বিদায় বললেন মেসি সিন্ধু নদীর পানি চুক্তি বাতিল করা যাবে না: আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে স্বস্তিতে পাকিস্তান ‘পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না’ প্রকাশ্যে থুতু ফেললে ১০০, প্রস্রাবে ২০০ জরিমানা হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূসসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণে রুল হরমুজে সৌদি আরবের তেলবাহী দুই জাহাজে হামলা চৌগাছায় বিএনপি’র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে  র‍্যালী ও  আলোচনা সভা ৬ দিনে ১০০টিরও বেশি উদ্ধার অভিযান চালিয়েছেন নেপালের এই নারী পাইলট হরমুজে দুই সুপারট্যাংকারে হামলা, ফের ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের বাজার বনবিভাগ গাছ না কাটাতে চৌগাছায় ৩৩ কেভি লাইনের নির্মাণ কাজ বন্ধ

ফোন করে বলেছিল, তোমার মাথার দাম ১০ কোটি: সালাউদ্দিন আম্মার

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৮৪ Time View

ডেস্ক নিউজ : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে শিবিরের প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিশাল এক চমকই দিয়েছেন সালাউদ্দিন আম্মার। জিএস পদে নির্বাচন করে তিনি ভোট পেয়েছেন ১১৪৯৭টি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির প্যানেলের জিএস প্রার্থী ফজলে রাব্বি মো. ফাহিম রেজার ব্যালটে ভোট পড়েছে মোটে ৫৭২৭টি।

সে কারণে নানা ঝক্কিও পোহাতে হয়েছে তাকে। এতটাই যে, তার মাথার দামও ধরা হয়েছিল ১০ কোটি টাকা। ৫ আগস্ট লং মার্চের ঠিক আগে এমনটা জানতে পেরেছিলেন তিনি। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানান আম্মার। তার কথা, ‘লংমার্চের আগের দিন একটা কল আসলো। ফোনের ওপাশ থেকে বলল, ‘সালাউদ্দিন, তোমার মাথার দাম ১০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। যেকোনো মূল্যে স্নাইপার দিয়ে তোমাকে শুট করা হবে। তুমি সামনের রিকশায় যেও না।’

কেন এমন হয়েছিল? কারণ রাবির ছাত্র আন্দোলনে বড় ভূমিকা রাখছিলেন তিনি। সে কারণে তার পরিবারকেও বেশ নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছিল। আম্মার বলেন, ‘আম্মু-আব্বুকে ৭ দিন ধরে বাসার ভেতরে আটকে রেখেছিল স্থানীয় প্রশাসন। তাদের বাইরে বের হতে দেওয়া হয়নি। ৫ আগস্টে আমাদের এলাকার সেই চেয়ারম্যানকে সবাই মিলে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে (আল্লাহ তাকে মাফ করে দিন)। আমার আব্বু ব্রেনস্ট্রোকের রোগী। তিনি তখন মানসিকভাবে খুব খারাপ অবস্থায় ছিলেন। বাসার চাল-ডাল পর্যন্ত শেষ হয়ে গিয়েছিল।’ 

‘চেয়ারম্যান আম্মুকে বারবার বলছিলো—‘আগে তোমাদের ছেলেকে এনে দাও। আগে ছেলেরে ফোন দাও!’ আব্বু একেবারে অসহায়, সহজ-সরল মানুষ। তাকে ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল, মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তখন আম্মুও কঠোর হয়ে গিয়েছিলেন। যখন স্বামীকে নির্যাতন করা হচ্ছে, তখন তিনি যেন একেবারে পাথর হয়ে যান। তিনি বলেন— ঠিক আছে, তোমাকে আমি আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিলাম। আল্লাহ যদি চান, তোমাকে শহীদ হিসেবে কবুল করবেন।’

সে আন্দোলনের পরও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। নানা সময়ে নানা বিষয় নিয়ে সরব ছিলেন তিনি। রাবি সংস্কার আন্দোলনের একজন প্রধান সংগঠক হিসেবে কাজ করে চলেছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তিনি।  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আগে তিনি সিনেমা নিয়ে কাজ করতেন। তখন রাজনৈতিকভাবে খুব একটা সরব ছিলেন না। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনই তাকে রাজনৈতিকভাবে সচেতন করে তোলে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৭ অক্টোবর ২০২৫,/সকাল ১১:০৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit