সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন

নেত্রকোণায় মানব পাচারের অভিযোগে একজন চীনা নাগরিকসহ ২জন আটক, ৩জন ভিকটিম উদ্ধার

শান্তা ইসলাম নেত্রকোণা প্রতিনিধি ।
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১১৮ Time View

শান্তা ইসলাম নেত্রকোণা প্রতিনিধি : নেত্রকোণায় মানব পাচারের অভিযোগে দালাল সহ চায়না নাগরিক আটক ও তিনজন ভিকটিম উদ্ধার করেছেন কেন্দুয়া থানার পুলিশ। আটককৃতরা হলেন – কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার সুখদেব পশ্চিম পাড়া গ্রামের আব্দুল হানিফের ছেলে মোঃ ফরিদুল ইসলাম ও চায়না নাগরিক- লি ওই হাও( Li Wei Hao)।

আজ সোমবার (১৫সেপ্টেম্বর) আনুমানিক দেড়টার দিকে মিডিয়া মুখপাত্র নেত্রকোণা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোঃ হাফিজুর ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে নেত্রকোণার কেন্দুয়া থানাধীন কেন্দুয়া পৌরসভা এলাকায় কমলপুর গ্রামের গার্মেন্টস কর্মী আলফা আক্তারকে গত ১ সেপ্টেম্বর বিয়ে করেন চীনা বিদেশী নাগরিক লী ওই হাও (LI. WEI HAO)।

আগামী ২০সেপ্টেম্বর চায়নাতে ফ্লাইট এর উদ্দেশ্যে তিনি রওনা করবেন এবং আলফা আক্তারকে বিয়ে করা ও তাকে চায়নাতে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার পরিবারের লোকজনকে ১লাখ টাকা প্রদানের বিষয়ে মৌখিকভাবে লী ওই হাও (LI. WEI HAO) আশ্বস্ত করেন। ২০ সেপ্টেম্বর চায়নাতে আলফা আক্তারকে নিয়ে চলে যাবে এলক্ষ্যে আলফা আক্তার তার পরিবারের লোকজনের সাথে দেখা করা ও চীনা নাগরিক স্বামীকে দেখানোর উদ্দেশ্যে কেন্দুয়া থানাধীন কমলপুর গ্রামে আলফা আক্তারের বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

তাদের সাথে ছিলেন ফরিদুল ইসলাম নামক বাংলাদেশী একজন নাগরিক (সন্দেহভাজন দালাল) ও আরো দুইজন মেয়ে। যাদের মধ্যে জামালপুরের একজন মেয়ে বৃস্টির সাথে গত ১৪ সেপ্টেম্বর অন্য আরেকজন চীনা নাগরিকের বিয়ে হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে দাবী করা হয়। এ ছাড়াও আরেকজন মেয়ে সাথে ছিল। আলফা আক্তারের পরিবারের লোকজন আলফা আক্তারের স্বামী চীনা নাগরিকের সাথে কথা বলা কালীন সময়ে তার কাছ থেকে পাসপোর্ট নাম্বার ও বাংলাদেশে অবস্থান করা কালীন সময়ে বৈধ ডকুমেন্ট দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেন নাই।

তাছাড়া তাদের সহযোগী বাংলাদেশী নাগরিক কোনো সন্তোষজনক উত্তর ও বৈধ কোনো ডকুমেন্টস না দেখাতে পারায় আলফা আক্তারের পরিবারের লোকজন সন্দেহজনক হিসাবে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে কেন্দুয়া থানা পুলিশকে খবর দেন কেন্দুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে চীনা নাগরিক ও বাংলাদেশি সহযোগী ফরিদুল ইসলামকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদকালে তাদের কথাবার্তা সন্দেহজনক হওয়ায় তাদেরকে জিজ্ঞাবাদের জন্য আটক করে কেন্দুয়া থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসে।

তিনি আরও জানান, উক্ত বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন প্রক্রিয়াধীন। ভিকটিম তিনজন হলেন – নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কমলাপুর গ্রামের মোঃ রুবেল মিয়ার মেয়ে আলফা আক্তার(১৮), জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার গোপী নদী গ্রামের মৃত বছির উদ্দীনের মেয়ে বৃষ্টি(১৭), নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফফরপুর ইউনিয়নের গগডা গ্রামের মহর উদ্দিনের মেয়ে লিজা আক্তার(২০)।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, /রাত ১২:৫০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

May 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit