বিভিন্ন সড়কে একের পর এক পাথরবোঝাই ট্রাক থামিয়ে তল্লাশির পাশাপাশি চালক ও সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পাথরের উৎস যাচাই করা হয়।
আমদানির প্রমাণপত্র যাচাই করে বৈধ পাথরবাহী ট্রাকগুলোকে পরবর্তী গন্তব্যে যেতে দেয়া হয়। যৌথবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে ট্রাকে করে আনা এসব পাথরের আমদানির প্রমাণপত্র পরীক্ষা করে দেখেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
তবে চালকরা অভিযোগ করেন, তাদের কাছে বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও হয়রানি করা হচ্ছে। তারা দাবি করেন, ক্রাশার মিলে অভিযান চালানো উচিত।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার মামুনুর রশীদ সময় সংবাদকে জানান, মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত প্রায় দেড়শ’ থেকে দুইশ’ ট্রাক চেকপোস্টে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হয়েছে। সব ট্রাক যাচাই শেষে যেগুলো অবৈধ প্রমাণিত হবে, সেগুলো জব্দের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সব ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন মেজর মো. রাজিব হোসাইন। তিনি বলেন, ‘পাথরবোঝাই করে শহরের দিকে যেসব ট্রাক যাচ্ছে, আমরা সেগুলো আটক করছি। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাথরগুলো পরীক্ষা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।’
এর আগে সন্ধ্যায় সিলেট বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সার্কিট হাউজে এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ জানান, পাথর চুরির সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। এর আগে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা আগামী রোববার (১৭ আগস্ট) প্রতিবেদন দেবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে লাগামহীনভাবে লুটপাট চলছে। প্রতিদিন শত শত নৌকায় পাথর পাচার হওয়ায় আগের জৌলুস হারিয়েছে ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর পর্যটন স্পট।