শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হামিদপুর ইউপির জব্বারপাড়া গ্রামে চাঁদার দাবিতে গভীর নলকুপ দখল করে তালা লাগিয়ে দেন  রাস্তার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ঝালকাঠিতে যুবদল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ নরসিংদীতে আমেনা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় পাঁচজন গ্রেফতার  দলীয় নেতাদের দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে কাজ করতে হবে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আলুর ন্যায্যমূল্য ও আলুর বহুমুখী ব্যবহারে সরকর কাজ করছে –  প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী আশুলিয়ায় বাড়ি দখল চেষ্টার অভিযোগ; আদালতের নিষেধাজ্ঞা পার্বত্য চট্টগ্রামে বৈষম্যহীন সুষম উন্নয়নের অঙ্গীকার মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের আশুলিয়ায় শ্রমিক ফেডারেশন নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে মতবিনিময় পাকিস্তানের হামলায় ২২৮ তালেবান যোদ্ধা নিহতের দাবি

রাশিয়া ইস্যুতে নেপোলিয়ন-হিটলারের মতো একই পথে হাঁটছে ন্যাটো?

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫
  • ৪৪ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চলতি বছরের ২৪ জুন নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে বসবে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর পরবর্তী বৈঠক। চলবে ২৬ তারিখ পর্যন্ত। ঠিক তার আগে রাশিয়ার সামরিক শক্তি নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করায় খবরের শিরোনামে এসেছেন ইইউ-এর শীর্ষ কূটনীতিক কাজা কালাস। ফ্রান্সের স্ট্রসবার্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্টে তিনি বলেন, ‘ন্যাটো ও ইইউ একজোট হলে মস্কোর আর কিছুই করার থাকবে না। আগ্রাসী পুতিনকে আটকাতে তাই আমাদের একজোট হতে হবে।’

তার এই বক্তব্যের তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে রয়েছে মোট ২৭টি দেশ। এর মধ্যে ফ্রান্স ও জার্মানিসহ ২৩টি রাষ্ট্র ন্যাটোর সদস্য। এই দুই দেশকে ইইউ-এর মূল চালিকাশক্তি বলা যেতে পারে। ফলে কালাসের ওই মন্তব্যের পর ফের নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে ন্যাটো বনাম মস্কোর সংঘাতের প্রসঙ্গ। আর ঠিক তখনই পুতিন ‘সম্পূর্ণ ইউক্রেন দখল’-এর কথা বলায় পরিস্থিতি জটিল হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা।

ইইউ-এর শীর্ষ কূটনীতিক কালাসকে ‘অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী’ বলার নেপথ্যে বিশেষজ্ঞেরা একাধিক যুক্তি দিয়েছেন। তাদের দাবি, ন্যাটোর সামরিক শক্তির আসল মালিক যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু, দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মোটেই কট্টর রুশবিরোধী নন। উল্টো মস্কোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করার দিকে প্রবল আগ্রহ রয়েছে তার। সম্প্রতি, কানাডায় জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর বৈঠকে গিয়ে সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। সেখানে ট্রাম্প বলেন, ‘রাশিয়াকে অবশ্যই এ সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।’

তার বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, মস্কোর ওপর বেশ ‘সদয়’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আবার তিনি ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর প্রতিরক্ষা বাজেট নিয়ে মোটেই সন্তুষ্ট নন। আর তাই ক্ষমতায় বসা পর থেকে এই খাতে বাকি সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপির (গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট) পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয়বরাদ্দের জন্য চাপ দিয়ে চলেছেন তিনি। চলতি আর্থিক বছরে সামরিক বাহিনীকে মজবুত করতে ৮০ হাজার কোটি ইউরো খরচের পরিকল্পনা রয়েছে ইইউ-ভুক্ত দেশগুলোর।

একইভাবে ট্রাম্পের চাপে ন্যাটোর অন্যান্য সদস্যরাষ্ট্রও প্রতিরক্ষা খাতে বাড়িয়েছে তাদের ব্যয়বরাদ্দ। কিন্তু, তা সত্ত্বেও এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে মোটেই খুশি করতে পারেনি। বরং ইউরোপ থেকে ধীরে ধীরে সৈন্য কমানোর পক্ষপাতী ট্রাম্প। বর্তমানে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় বেশি করে নজর দিতে চাইছে ওয়াশিংটন। কারণ, সেখানে দিন দিন বেড়েই চলেছে চীনের প্রভাব। বেইজিংকে ঠেকাতে সমুদ্রবাণিজ্যের ওই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় নজরদারি বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের।

বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ইউরোপের সেনাছাউনিগুলো থেকে মার্কিন সৈন্য ধীরে ধীরে ঘরে ফিরলে দুর্বল হয়ে পড়বে ন্যাটো। তখন বাকি দেশগুলোর পক্ষে পুতিনের আক্রমণ সামলানো সম্ভব হবে না। তাছাড়া এই শক্তিজোটের মধ্যে আরও কয়েকটি জায়গায় ভাঙন ধরার আশঙ্কা রয়েছে। ন্যাটো সরাসরি মস্কোর বিরুদ্ধে যুদ্ধের ময়দানে নামলে সেই সুযোগ মোটেই হাতছাড়া করবে না ক্রেমলিন। উল্টো এতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্রুত পতনের আশঙ্কা রয়েছে।

স্ট্রসবার্গের পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে কালাস বার বার ইইউ এবং ন্যাটোর সম্মিলিত বাহিনীর পরিসংখ্যান তুলে ধরে রাশিয়ার শক্তিকে খাটো করেছেন। বর্তমানে মস্কোর হাতে রয়েছে ১৩ লাখ সক্রিয় সৈনিক। অন্যদিকে ন্যাটোর সৈন্যসংখ্যা প্রায় ৩৪ লাখ। অর্থাৎ, ক্রেমলিনের প্রায় তিন গুণ সৈন্য রয়েছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন এই ইউরোপীয় সামারিক জোটের কাছে। কিন্তু সমস্যা হলো এই সম্মিলিত বাহিনীর মধ্যে আমেরিকান সেনার সংখ্যা প্রায় ২০ লক্ষ। ফলে ওয়াশিংটন পুতিনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরতে না চাইলে সংখ্যার বিচারে দু’পক্ষের শক্তি দাঁড়াবে সমান সমান।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দিলে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর আরও একটি সমস্যা রয়েছে। সেটা হলো- দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের কারও কোনো যুদ্ধের অভিজ্ঞতা নেই। অন্যদিকে গত তিন বছর যাবৎ ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় লড়ছে রুশ সেনাবাহিনী। এর আগে সিরিয়া এবং আফ্রিকার একাধিক গৃহযুদ্ধে যোগ দিয়েছে মস্কো। ক্রেমলিনের সামরিক নির্মাণশিল্পও বেশ বড়। বিশ্বের সর্বাধিক পরমাণু বোমাও রয়েছে পুতিনের হাতে। ন্যাটোর অধিকাংশ দেশের অস্ত্রের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের ওপরে মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরশীলতা রয়েছে। লড়াইয়ের সময়ে যা বিপদ ডেকে আনতে পারে।

ন্যাটোভুক্ত ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে তুরস্কের সৈন্যবাহিনী সবচেয়ে বড়। আঙ্কারার কাছে আছে আটলাখ সংক্রিয় সৈন্য। কিন্তু, রাশিয়ার সঙ্গে এই দেশটির সম্পর্ক বেশ ভালো। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে কয়েক বছর আগে মস্কোর থেকে ‘এস-৪০০’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা এয়ার ডিফেন্স কেনে তুরস্ক। শুধু তাই নয়, বর্তমানে ‘ব্রিকস’-এর সদস্যপদ পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে আঙ্কারা। এই জোটের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে রাশিয়ার পাশাপাশি রয়েছে চীন, ভারত, ব্রাজিল এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।

এই পরিস্থিতিতে ইউরোপে ন্যাটো বনাম রাশিয়া যুদ্ধ বাধলে তুরস্ক আদৌ মস্কোর বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরবে কি না, তা নিয়ে বেশ সন্দেহ রয়েছে। এই সামরিক জোটে আবার বেশ কয়েকটি জায়গায় ভাঙনের চোরাস্রোত রয়েছে। উদাহরণ হিসাবে গ্রিসের কথা বলা যেতে পারে। আথেন্স ন্যাটোয় থাকলেও আঙ্কারার সঙ্গে গ্রিকদের পুরনো সীমান্তবিবাদ রয়েছে। অন্যদিকে হাঙ্গেরি এবং স্লোভাকিয়া এই জোটের সদস্য হয়েও ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে প্রবলভাবে সমর্থন করেছে।

একই কথা ইতালির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সেখানকার প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি নানা ইস্যুতে মস্কোর নিন্দা করলেও সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে নারাজ। বর্তমান একাধিক অভ্যন্তরীণ সমস্যায় ভুগছে রোম। তার মধ্যে অন্যতম হল বয়স্ক নাগরিকদের সংখ্যা বৃদ্ধি। তাই ট্রাম্পের নির্দেশমত প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় জিডিপির পাঁচ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি রয়েছে তার। এসব কারণে ন্যাটোর ‘মিথ’ খুব দ্রুত ইউরোপে ভাঙতে চলেছে বলে মনে করেন অধিকাংশ বিশ্লেষক।

‘স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ বা সিপ্রির দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের চেয়ে অনেক বেশি পরমাণু হাতিয়ার রয়েছে রাশিয়ার কাছে। এককথায় সমগ্র ইউরোপকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রয়েছে পুতিনের। তাছাড়া ইউক্রেন যুদ্ধে বহুল পরিমাণে হাইপারসনিক (শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ গতিশীল) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে মস্কো। সেগুলোর তাণ্ডব দেখে আতঙ্কিত গোটা বিশ্ব। এ ধরনের কোনো ক্ষেপণাস্ত্র নেই ইউরোপের ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর কাছে।

এছাড়া মহাকাশে ছড়িয়ে আছে রাশিয়ার একগুচ্ছ গুপ্তচর কৃত্রিম উপগ্রহ। আবার শত্রুর কৃত্রিম উপগ্রহ বা নভোযানকে উড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতাও রয়েছে মস্কোর। আধুনিক যুদ্ধে এগুলোর প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। অথচ এই ধরনের কোনো অস্ত্র নেই ন্যাটোভুক্ত ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছে। এ ব্যাপারে পুরোপুরি আমেরিকার ওপর নির্ভরশীল তারা।

বিশ্লেষকেরা মনে করেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ন্যাটো যুদ্ধ ঘোষণা করলে চুপ করে বসে থাকবে না চীন এবং উত্তর কোরিয়া। এই দুই দেশের থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদত অবশ্যই পাবে মস্কো। সে ক্ষেত্রে তুল্যমূল্য বিচারে ন্যাটোর তুলনায় অনেকটাই পাল্লা ভারী হবে ক্রেমলিনের। ‘অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী’ ইইউ-এর শীর্ষ কূটনীতিক কালাস এগুলো একেবারেই ভেবে দেখেননি বলে দাবি বিশ্লেষকদের।

অতীতে বহুবার দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া অবস্থায় অদম্য সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে দেখা গেছে রাশিয়াকে। ১৮১২ সালের ২৮ জুন মস্কোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালান কিংবদন্তি ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট। কিন্তু সেখান থেকে খালি হাতে ফিরতে হয় তাকে। উল্টো ওই সংঘর্ষে ধ্বংস হয় তার ‘গ্র্যান্ড আর্মি’। এর তিন বছরের মাথায় অর্থাৎ ১৮১৫ সালে ওয়াটারলুর যুদ্ধে চূড়ান্ত পরাজয় হলে রাজপাট ছেড়ে চিরতরে নির্বাসনে যেতে হয়েছিল নেপোলিয়নকে।

এই ঘটনার ১২৯ বছর পর একই ভুল করেন অ্যাডল্ফ হিটলার। ১৯৪১ সালের ২২ জুন তার নির্দেশে তৎকালীন সোভিয়েন ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) আক্রমণ করে বসে নাৎসি বাহিনী। পূর্ব ফ্রন্টের লড়াইয়ে ৩০ লক্ষ সৈনিক, তিন হাজার ট্যাঙ্ক, ২,৫০০ বিমান এবং সাত হাজার কামান পাঠিয়েছিল বার্লিন। হিটলার এই অভিযানের নামকরণ করেন ‘অপারেশন বারবারোসা’। এতে প্রাথমিকভাবে সাফল্য মিললেও বছর ঘুরতেই সম্পূর্ণ পাল্টে যায় পরিস্থিতি। ১৯৪৩ সালে স্টালিনগ্রাদের যুদ্ধে নাৎসি বাহিনী আত্মসমর্পণ করলে নিশ্চিত হয়ে যায় জার্মানির পরাজয়।

বিশ্লেষকেরা মনে করেন, আগামী দিনে ন্যাটোর আক্রমণের মুখে পড়লে ফের পুরনো দিনের মতো বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে রুশ সেনা ও সরকার। মস্কোর সেই প্রতিরোধ ভাঙা এই শক্তিজোটের পক্ষে কঠিন। ‘অপারেশন বারবারোসা’য় নাৎসিদের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে ২ কোটি ৭০ লক্ষ রুশবাসীর মৃত্যু হয়েছিল। স্টালিনগ্রাদের যুদ্ধে প্রাণ হারান ১৫ লক্ষ মানুষ। তারপরও শেষ হাসি হেসেছিল তৎকালীন সোভিয়েত সরকার। ইউরোপে সেই ছবি ফের একবার দেখতে পাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকেরা।

গত ২০ জুন সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক ফোরামের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের মুখে পড়েন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে একটা কথা প্রচলিত আছে। যেখানে মস্কো বাহিনীর পা পড়ে সেটাই আমাদের। রুশ এবং ইউক্রেনীয় নাগরিকদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। সেই সূত্রে ইউক্রেনের পুরোটাই আমাদের।’ ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অবশ্য তার এই মন্তব্যের প্রবল সমালোচনা করেছেন।

বর্তমানে ইউক্রেনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ জমি রয়েছে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। ইউক্রেনের লুহানস্ক এলাকার ৯৯ শতাংশ, ডোনেৎস্কের ৭০ শতাংশ, জাপোরিজঝিয়া, খেরসন, খারকিভ, সুমি, ডিনিপ্রপেট্রোভস্কের বেশ কিছু অঞ্চলে পুরোপুরি দখল করে নিয়েছে মস্কো। ২০১৪ সালে কৃষ্ণসাগর সংলগ্ন ক্রাইমিয়া উপদ্বীপটিকে রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত করেন পুতিন। ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো তাকে আটকাতে পারবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান বিশেষজ্ঞদের।

 

 

কিউএনবি/আয়শা//২৯ জুন ২০২৫, /দুপুর ২:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit