বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচনে দুই সভাপতি প্রার্থীর হাড্ডা হাড্ডি লড়াই মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক দক্ষিণ আফ্রিকায় আবাসিক ভবনে গুলিবর্ষণে, নিহত ১১ জন যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রথম দিনেই ১০ কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী আশুলিয়ায় ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ গ্রিন টি নয়, ঘরে তৈরি এই ৫ পানীয়তেই মিলবে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট শেখ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী কেন জাতিসংঘে ভাষণের মাঝে মেলানিয়াকে খুঁজলেন ট্রাম্প ফ্রিল্যান্সারদের টার্গেট করে যেভাবে প্রতারণা করে চক্রটি ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু কেড়ে নিল ৬ প্রাণ, মৃত্যু ২০০ ছাড়াল

রমজানের কাজা রোজা ও শাওয়ালের রোজা একসঙ্গে রাখা যাবে?

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৬৮ Time View

ডেস্ক নিউজ : কারো ওপর যদি রমজানের কাজা রোজা থাকে তাহলে রমজানের কাজা রোজা আগে আদায় করা উচিত। রমজানের রোজা ইসলামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফরজ আমল। ইমানের পর ইসলামের মূল পাঁচ স্তম্ভের অন্তর্ভুক্ত। কোনো অসুস্থতা, অসুবিধা বা অবহেলায় নামাজ বা রোজা ছুটে গিয়ে যত দ্রুত সম্ভব আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে ওই রোজার কাজা আদায় করা এবং কাফফারা ওয়াজিব হলে কাফফারা আদায় করা উচিত।

কেউ শাওয়াল মাসে রমজানের কাজা রোযা রাখলে তা কাজা রোজা হিসেবেই আদায় হবে। শাওয়ালের রোজার ফজিলত পেতে সেটা ‍পৃথকভাবে রাখতে হবে। কাজা রোজার সাথে শাওয়ালের ছয় রোজার নিয়ত করা যাবে না। শাওয়ালের রোজা ও কাজা রোজা একসাথে রাখার সুযোগ নেই।
 
সারা বছর নফল রোজা রাখার সওয়াব পেতে ছয়টি নফল রোজা রাখতে হয় চাঁদের হিসেবে হিজরি ক্যালেন্ডারের শাওয়াল মাস শেষ হওয়ার আগেই। অর্থাৎ এ বছর (২০২৫) ২৯ শাওয়াল মোতাবেক ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত এ রোজাগুলো রাখার সুযোগ থাকছে।
শাওয়ালের ৬ রোজা রাখার নিয়মশাওয়াল মাসের ফজিলত বিশুদ্ধ হাদিসের মাধ্যমে প্রমাণিত। হজরত আবু আইয়ুব আনসারি রা. বলেন, রসুলুল্লাহ সা. বলেছেন,

 مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِযে ব্যক্তি রমজান মাসের ফরজ রোজাগুলো রাখল, অতঃপর শাওয়াল মাসে আরও ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন সারাবছর ধরেই রোজা রাখল। (মুসলিম ১১৬৪)

শাওয়ালের রোজা রাখা ফরজ না। এটা নফল ইবাদত। তবে এর রয়েছে অগণিত সওয়াব। হাদিসে প্রিয় নবী সা. শাওয়াল মাসের প্রথমদিকে, মধ্যভাগে বা শেষাংশে নির্দিষ্ট করে রোজা রাখার কথা বলেননি। আবার রোজা ছয়টি লাগাতার রাখার নির্দেশনাও হাদিসে পাওয়া যায় না। তাই ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, শাওয়াল মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের দিনটি বাদ দিয়ে মাসের যেকোনো ছয়দিনে রোজা রাখলেই উল্লিখিত সওয়াব পাওয়া যাবে।
 
শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা পূরণ করতে পারলেই হাদিসে বর্ণিত সওয়াব পাওয়া যাবে। যাদের কাজা রোজা আছে, অসুস্থতা কিংবা নারীদের হায়েজ-নেফাসের কারণে রমজানের রোজা অপূর্ণ থাকে, তাদের জন্য নিয়ম ও করণীয় হলো, শাওয়াল মাসে তাদের ভাংতি রোজাগুলো আগে পূর্ণ করে নিবে। তারপর তারা শাওয়ালের ৬ রোজা পালন করবে।
 
হাদিসে আছে, যখন কোনো বান্দার আমল মহান আল্লাহ কবুল করেন, তখন তাকে অন্য আরও নেক আমলের তওফিক দেন। এই রোজাগুলো রাখতে পারা রমজানের রোজা কবুল হওয়ার নিদর্শন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১০ এপ্রিল ২০২৫,/রাত ১০:২৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit