বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি বছর গবেষণা-উদ্ভাবন মেলা আয়োজনের উদ্যোগ ঢাবি থেকে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সকল তথ্য-উপাত্ত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কাছে হস্তান্তর পেশাদার গণমাধ্যম কার্যক্রম এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ জোরদারে ঢাবি ও ঢাকা ডক্ল্যাবের মধ্যে সমঝোতা স্মারক শাই হোপের সেঞ্চুরিতে উইন্ডিজের রেকর্ড আটোয়ারীতে আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সৌদিগামী ১০০ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার যাত্রী কুড়িগ্রামে মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু,বাবা গুরুতর আহত আটোয়ারীতে হাজী সাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আদালতের নির্দেশে জাল দলিলের প্রতিবেদন দিয়ে আক্রোশের শিকার সাব-রেজিস্ট্রার নেত্রকোণায় বিএনপি নেতা খলিলুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

যে পেশার সৃষ্টিশীলতা এআইয়ের নাগালের বাইরে

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৫৯ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যাপক প্রসার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চাকরি থেকে শুরু করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এআই কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ ও গবেষণা।

 প্রযুক্তি খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো চ্যাটবটসহ বিভিন্ন এআইভিত্তিক সেবা চালু করার কারণে অনেক পেশাজীবী তাদের চাকরি হারিয়েছেন। এছাড়া ভবিষ্যতে আরও অনেকেই এই প্রযুক্তির কারণে চাকরি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন। এর মধ্যেই চ্যাটজিপিটি তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের সিইও স্যাম অল্টম্যান এমন একটি কাজের কথা বলেছেন, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কখনোই সম্পূর্ণরূপে করতে পারবে না।

স্যাম অল্টম্যানের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কখনো লেখকদের কাজ পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করতে পারবে না। যদিও এআই চ্যাটবটগুলো লেখকদের কাজে সহায়তা করতে পারে, তবে এটি সৃষ্টিশীলতার জায়গায় কখনো মানুষের বিকল্প হতে পারবে না। অল্টম্যান বলেন, ‘ভালো লেখার জন্য চ্যাটবটের আরও অনেক উন্নতি করা প্রয়োজন। এআইয়ের তৈরি করা অনেক লেখাই নিম্নমানের এবং শিক্ষার্থীদের খারাপ অ্যাসাইনমেন্টের পেছনে এআই ব্যবহার অন্যতম কারণ।’

অল্টম্যানের মতে, এআই লেখকদের জন্য কেবল একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে। কিন্তু তাদের প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয়। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, যদিও এআই চ্যাটবট ব্যবহার করে স্কুলের বই বা অ্যাসাইনমেন্ট লেখা হচ্ছে, তবুও এটি মানব লেখকদের ছাপিয়ে যেতে পারবে না। ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নত হলেও, জনপ্রিয় এবং গভীর অর্থবহ উপন্যাসগুলো মানুষের হাত দিয়েই লেখা হবে।

এআইয়ের সীমাবদ্ধতার ব্যাপারে অল্টম্যান বলেন, যখন আমি একটি অসাধারণ বই শেষ করি, তখন আমার প্রথম ইচ্ছা হয় লেখকের জীবন সম্পর্কে জানার। একজন লেখকের জীবনের অভিজ্ঞতা, চিন্তাভাবনা ও সৃজনশীলতা সম্পর্কে জানার আগ্রহ আমার মধ্যে জাগে। এআইয়ের লেখা কোনো কাজ সেই অনুভূতি কখনোই তৈরি করতে পারবে না।

স্যাম অল্টম্যানের এই দৃষ্টিভঙ্গি এটাই প্রমাণ করে যে, লেখালেখির জগতে সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে মানব মস্তিষ্কের জায়গা এখনও অপ্রতিদ্বন্দ্বী। যদিও এআই চ্যাটবট প্রযুক্তি দিন দিন উন্নত হচ্ছে, তবে লেখকদের প্রতিস্থাপনের মতো পর্যায়ে এখনও তা পৌঁছায়নি এবং খুব শিগগিরই তা সম্ভব হবে না।

কিউএনবি/অনিমা/৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪,/সকাল ১১:৪৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit