এর আগে, সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে আশুলিয়ার কলতাসূতি নয়াবাড়ি রত্নাসিট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, আশুলিয়ার কলতাসূতি নয়াবাড়ি রত্নাসিট এলাকার আলকাছ বেপারীর ছেলে পুলিশ সদস্য মুরাদ হোসেন (২৩) তিনি থানচি থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত এবং একই এলাকার মৃত আলাল বেপারীর ছেলে ওয়াশিম বেপারি (২৮)।
আহত পুলিশ কনস্টেবল মুরাদ অভিযোগ করে বলেন, গত ৫/৬ দিন আগে তিনি ছুটিতে বাড়িতে আসেন। মোটরসাইকেল ঠিক করার জন্য তিনি বাড়ির বাহিরে গেলে তার গতিরোধ করে। পরে কারণ জানতে চাইলেই এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকে। শুধু তাই নয়, এরপর বাড়িতে এসে একই এলাকার আজিজ বেপারীর ছেলে আমান উল্লাহ আমান (৪৭), হালিম বেপারী (৫০), চঞ্চল বেপারীর ছেলে আওলাদ হোসেন (৩০), সুমন হোসেন (২৩), হালিম বেপারীর ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩১), আব্দুল জব্বার বেপারীর ছেলে ইব্রাহিম বেপারী (৩৫) সহ অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১৫ জন তাদের বাড়িতে হামলা চালায়।
বাঁধা দিতে গেলে তার চাচাতো ভাই ওয়াশিমকেও মারধর করেন। মূলত পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই তাদের উপর হামলা করা হয়। পরে আহত ওয়াশিমকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং তিনি স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এব্যাপারে আমান উল্লাহ আমানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এবিষয়ে জানতে আশুলিয়া থানার এসআই আইয়ুব আলীকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ হয়েছে কিনা, তা আমার জানা নেই। তবে অভিযোগের কপি পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।