শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ন

কেজরিওয়ালের পর কে?

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৬৭ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দিল্লিতে বিধানসভা নির্বাচন আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে হওয়ার কথা, যদিও কেজরিওয়াল রোববার দাবি করেছেন, মহারাষ্ট্র নির্বাচনের সঙ্গে নভেম্বরেই দিল্লির এই নির্বাচনটাও দিয়ে দেয়ার। 

এদিকে মণীশ সিসোদিয়া, যিনি সাবেক উপ-মুখ্যমন্ত্রীও, বলেছেন, তিনি জনগণের কাছে যাবেন এবং পুনর্নির্বাচনের পরেই শীর্ষ পদে ফিরে আসবেন। এর মানে হলো এএপি দলের  শীর্ষ নেতারা মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে নেই।
 
যদিও এই মুখ্যমন্ত্রী পদের সময়সীমা মাত্র কয়েক মাসের; তারপরও এএপি এমন একজন বিশিষ্ট নেতাকে বেছে নিতে চাইবে যিনি মূল বিষয়গুলোতে দলের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন এবং দলের মধ্যে যার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
 
দলে পাঁচজন নেতা আছেন; যাদের মধ্যথেকে কেউ একজন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন।
 
অতিসি মারলেনা সিং

দিল্লি সরকারের শিক্ষা এবং পিডব্লিউডির মতো গুরুত্বপূর্ণ পোর্টফোলিও আছে অতিসির। তিনি প্রধান প্রতিযোগীদের মধ্যে একজন। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষার্থী অতিসি। দিল্লির স্কুলগুলোতে শিক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে ব্যাপকভাবে কাজ করেছেন অতিসি। ১৫ আগস্ট, দিল্লি সরকারের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে তেরঙ্গা (পতাকা) উত্তোলনের জন্য অতিসিকে বেছে নিয়েছিলেন কেজরিওয়াল। এ থেকে বোঝা যায়, তিনি দলের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

সৌরভ ভরদ্বাজ
ভরদ্বাজ বৃহত্তর কৈলাশ থেকে তিনবারের বিধায়ক এবং অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকারের সতর্কতা এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক পোর্টফোলিও রয়েছে তার। আবগারি (মদ) দুর্নীতি মামলায় সিসোদিয়াকে গ্রেফতারের পরে অতিসির মতো তাকেও মন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। ভরদ্বাজ অতীতে একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কাজ করেছেন। তিনি এএপির অন্যতম জাতীয় মুখপাত্র।
 
রাঘব চাড্ডা

এএপির জাতীয় কার্যনির্বাহী এবং রাজনৈতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য। চাড্ডা দলের একজন রাজ্যসভা সদস্য এবং এর অন্যতম শীর্ষ মুখ। চাড্ডা এর আগে একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছেন এবং শুরু থেকেই কেজরিওয়ালের দলের সঙ্গে রয়েছেন। তিনি রাজিন্দর নগর থেকে বিধায়ক হয়েছেন এবং ২০২২ সালের রাজ্য নির্বাচনে পাঞ্জাবে এএপির বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

কৈলাশ গাহলট
পেশায় একজন আইনজীবী। গাহলট দিল্লিতে এএপি সরকারের সিনিয়র সদস্যদের মধ্যে একজন এবং পরিবহন, অর্থ এবং স্বরাষ্ট্র বিষয়গুলোর মতো গুরুত্বপূর্ণ পোর্টফোলিওর অধিকারী। ৫০ বছর বয়সি এই নেতা ২০১৫ সাল থেকে দিল্লির নাজাফগড় নির্বাচনী এলাকার বিধায়ক। গাহলট একজন অ্যাডভোকেট যিনি দিল্লি হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট উভয় ক্ষেত্রেই অনুশীলন করেছেন। তিনি ২০০৫ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন।
 
সঞ্জয় সিং
২০১৮ সাল থেকে একজন রাজ্যসভার সদস্য। সঞ্জয় সিং এএপির অন্যতম বিশিষ্ট মুখ যিনি সংসদে আকর্ষণীয় বক্তৃতার জন্য পরিচিত। ৫২ বছর বয়সি এই নেতা মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা করেছেন। তিনি দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন এবং দলের জাতীয় নির্বাহী ও রাজনৈতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য। সঞ্জয় সিংকে দিল্লির আবগারি মামলার সঙ্গে যুক্ত একটি দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং বর্তমানে কেজরিওয়াল এবং সিসোদিয়ার মতো জামিনে মুক্ত।
 
সূত্র: এনডিটিভি

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪,/বিকাল ৫:৫৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit