স্পোর্টস ডেস্ক : স্বেচ্ছাচারী কোচ হিসেবে হাথুরুসিংহের কুখ্যাতি আছে। আছে ব্যর্থতাও। তবে দুই মেয়াদে বাংলাদেশের কোচ হিসেবে তার সাফল্যও কম নয়। ২০২৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি দুই বছরের জন্য বাংলাদেশের কোচের দায়িত্ব গ্রহণের আগেও এক দফায় টাইগারদের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৪ সালের জুন থেকে ২০১৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত টাইগারদের কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
প্রথম দফায় দায়িত্ব পালনকালে ২০১৭ সালে অনেকটা আকস্মিকভাবে বাংলাদেশ ছেড়ে যান হাথুরুসিংহে। সে সময় গুঞ্জন উঠেছিল যে, কোনো ক্রিকেটার বা বোর্দের প্রভাবশালী কারো সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির কারণেই বাংলাদেশ ছেড়েছেন তিনি। তবে সে সময় এ বিষয়ে মুখ খুলেননি তিনি। তবে এবার বাংলাদেশের কোচের পদ ছাড়ার কারণ জানিয়েছেন হাথুরুসিংহে।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট সেই সময়টায় খুবই বাজে পরিস্থিতির ভিতর দিয়ে যাচ্ছিলো। বোর্ডের দুর্নীতি, ম্যাচ ফিক্সিংসহ নানা ধরণের গুজব ভেসে ভেড়াচ্ছিলো। দল জিম্বাবুয়ের সঙ্গেও হেরেছিলো সে সময়। অপরদিকে নিজের দেশকে কোচিং করানো ছিলো আমার দীর্ঘদিনের ইচ্ছে।’হাথুরুসিংহে যোগ করেন, ‘তখন লংকান বোর্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট আমাকে জিজ্ঞেস করে আমি কোচিং করাতে চাই কিনা এবং আমার মনে হচ্ছিলো এটাই সবথেকে ভালো সময়। এই দুটি কারণেই আমি শ্রীলঙ্কায় কোচিং করাতে গিয়েছিলাম।’
প্রথম দফায় বাংলাদেশের কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করে টাইগারদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাফল্য এনে দেন তিনি। এ সময় টাইগারদের খেলার ধরণ এবং শরীরী ভাষায়ও বেশ ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। তার সময়েই বড় দলগুলোর বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে সাফল্য পাওয়া শুরু করে টাইগাররা। তবে শেষদিকে তার সঙ্গে দলের বেশ কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটারের দ্বন্দ্বের খবরও জানা যায়। বাংলাদেশের কোচের পদ ছেড়ে দিয়ে সে সময় তিনি শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন।
কিউটিভি/আয়শা/১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪,/বিকাল ৪:২২