বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০ নতুন ধারা বাংলাদেশ’র শান্তাসহ ৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ উত্তরাঞ্চলের তিন জেলার উন্নয়নে একটি মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ভারতের অর্থনীতি ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে: নির্মলা সীতারামন ‘তাকে ছাড়া গজনি সফল হতো না’, প্রদীপ রাওয়াতকে আমির খানের শ্রদ্ধাঞ্জলি ‘গ্রেফতারের নাটক সাজিয়ে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা’, বিধানসভায় বিজয়কে একহাত নিলেন উদয়নিধি হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১০৮৩ আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশা গ্রেপ্তার জুলাই আহত যোদ্ধা মিতুর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রসূতি মা ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগে ক্লিনিক ভাংচুর

খোরশেদ আলম বাবুল,শরীয়তপুর প্রতিনিধি
  • Update Time : শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৪
  • ৭৭ Time View

খোরশেদ আলম বাবুল,শরীয়তপুর প্রতিনিধি : ডামুড্যায় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকের কর্তৃপক্ষের অবহেলায় আকলিমা বেগম নামে এক প্রসূতি মা ও নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ স্বজনরা ওই ক্লিনিকে ভাংচুর করে বলে অভিযোগ ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের। বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) রাত ১০ টায় শরীয়তপুরের ডামুড্যা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ক্লিনিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত আকলিমা বেগম ও নবজাতক পূর্ব ডামুড্যা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী ও সন্তান। নিহতদের স্বজন ও ক্লিনিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট বুধবার রাত ৩ টার দিকে প্রসব বেদনা নিয়ে আকলিমা বেগম ডামুড্যা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ক্লিনিকে আসেন। ওই সময় ক্লিনিকটিতে কোনো চিকিৎসক না থাকায় সিনিয়র নার্স সোহানা আকলিমাকে ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যান।

অপারেশন থিয়েটারে স্বাভাবিক ভাবে আকলিমা সন্তান জন্ম দেয়ার পরে প্রসূতি মায়ের অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণ শুরু হয়। এর কিছুক্ষর পরে নবজাতকসহ মা আকলিমা অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। এরপর তাদের অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক আকলিমাকে নবজাতকসহ উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন। ঢাকায় যাওয়ার পথে দুপুর ২ টার দিকে নবজাতক ও রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিউতে মা আকলিমা বেগম মারা যায়। এরপর বিক্ষুদ্ধ স্বজনরা রাত ১০ টার দিকে ক্লিনিক ও ক্লিনিক সংলগ্ন হ্যাপি মেডিকেল হল নামে একটি ফার্মেসী ভাঙচুর করে।

আকলিমার ভাই মো. কাউছার বলেন, বুধবার রাতে আমরা আকলিমাকে ক্লিনিকে নিয়ে যাই। ওই সময় কোনো ডাক্তার ক্লিনিকে না থাকলেও এক নার্স আমাদেরকে বিভিন্ন ওষুধ আনতে একটি স্লিপ ধরিয়ে দেয়। ওষুধ আনার পরে স্বাভাবিক উপায়ে আকলিমা একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। এরপর সকালে ক্লিনিকের পরিচালক সাত্তার আসার পরে সে রোগীকে রক্ত দিতে পরামর্শ দিলে রক্তও দেওয়া হয়। তখনও ক্লিনিকে ডাক্তার ছিল না। ডাক্তারের কথা জিজ্ঞাস করায় ক্লিনিকের পরিচালক সাত্তার আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। এরপর সকাল ১০ টার দিকে এক ডাক্তার এসে আমার বোন ও তার সন্তানকে উন্নত চিকিৎসার কথা বলে ঢাকায় পাঠানোর পর তারা দুই জনেই মারা যায়। আমি এই ঘটনার বিচার দাবি করছি।

ডামুড্যা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ক্লিনিকের পরিচালক আব্দুস সত্তার বলেন, রোগীর অসুস্থতার কথা সিনিয়র নার্স আমাকে জানায়নি।আমি ডাক্তারের সাথে কথা বলে রক্ত দিতে বলি। প্রসূতির রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ার কারণে ডাক্তার রোগী ও নবজাতককে ঢাকায় প্রেরণ করেন। সেখানে কি হয়েছে তা আমি জানি না।বিষয়টি ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমারত হোসেন বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ক্লিনিকের নিচের তলা ভাঙচুর করা হয়েছে। কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আমরা পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শেখ মোস্তফা খোকন বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কিউএনবি/অনিমা/৩০ অগাস্ট ২০২৪,/বিকাল ৫:১৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit