শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফাইনালে উঠতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ১৫০ রান ভিন্নমত যেন কোনোভাবেই শত্রুতায় রূপ না নেয়: সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ইংল্যান্ডে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা কমলগঞ্জে বাড়ির সিঁড়ির নিচ থেকে ৫টি কোবরা সাপের বাচ্চা উদ্ধার জলবায়ুর অভিঘাতে স্কুলে মেয়েদের ঝড়ে পড়া বাড়ছে: ইউনিসেফ বড়পুকুরিয়া বাইপাস সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে॥ রাবিপ্রবিতে যৌন হয়রানি ও সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে সেমিনার দুর্গাপুরে ভারতীয় মদসহ আটক – ০১ দুর্গাপুরে যুবদলের উদ্যোগে মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নারী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাবিপ্রবি ছাত্রদলের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

ফরিদগঞ্জে টানা বর্ষণে সর্বনাশ মৎস্যচাষীদের

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৪
  • ১২৪ Time View

ডেস্ক নিউজ : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের একজন সফল মৎস্য চাষী সোহেল বেপারী। গত ১০ বছর ধরে কার্প জাতীয় মাছ চাষ করছেন। ২০১৭, ২০১৮ সালে উপজেলা পর্যায়ে এবং ২০২১ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষী হিসেবে সম্মননা পেয়েছেন। কিন্তু টানা এক সপ্তাহের ভারি বর্ষণে তার মাথায় বাজ পড়ার উপক্রম হয়েছে। তার ১৭টি প্রজেক্টের প্রায় সবগুলোই বৃষ্টির পানিতে ভেসে গেছে। এই চিত্রও শুধু সোহেল বেপারী নয়, উপজেলার শত শত মৎস্যচাষীর। 

উপজেলা মৎস্য বিভাগ মৎস্যচাষীদের মাছ ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।জানা গেছে, গত রোববার রাত থেকে টানা বর্ষণ শুরু হয়। যা বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। শুক্রবার বৃষ্টির পরিমাণ কম হলেও মাঝে মাঝে বৃষ্টি হয়েছে। বর্ষণের কারণে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার শিকার ফরিদগঞ্জের লাখ লাখ মানুষ। সাত দিন পর শনিবার (২৪ আগস্ট) আকাশে সূর্যের দেখা মিলেছে।  চাঁদপুর সেচ প্রকল্পের দুটি স্লুইচ গেট দিয়ে পানি নামলেও গত দুই দিনে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পানি কমার কোনো লক্ষণ নেই বরং কিছু কিছু স্থানে পানি বেড়েছে। উপজেলার প্রায় ৯০ ভাগ এলাকা জলাবদ্ধতার শিকার।

মৎস্যচাষী সোহেল বেপারী জানান, তিনি গত ১০ বছর ধরে কার্প জাতীয় মাছ চাষ করে আসছেন। তার ১৭টি মাছের ঘের রয়েছে। প্রতিটি মাছের ঘের ২ একর থেকে শুরু করে ৫-৬ একর পর্যন্ত টানা বর্ষণের কারণে সৃষ্ট বন্যায় তার অন্তত ২ কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে। মাছ ধরে রাখতে দ্বিগুণ টাকা দিয়েও কাজের লোক খুঁজে পাচ্ছেন না। কয়েক লাখ টাকা দিয়ে জাল কিনে এনে বাকি মাছগুলো ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। সাধারণত এপ্রিল থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত মাছের ঘেরে লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন তারা। সেপ্টেম্বর মাস থেকে তারা মাছ ধরা শুরু করেন। এবার আগস্ট মাসেই সব শেষ হয়ে গেছে।

একই দশা রূপসা উত্তরের আনোয়ার হোসেন, পাইকপাড়া দক্ষিণের সাইফুল ইসলাম, পৌর এলাকার কামাল মিজি, মাকসুদুল বাশার বাঁধন, মুকুল পাটওয়ারী, মোরশেদ আলমসহ অনেকের। তারা জানান, একেক  মাছের ঘেরে তারা লাখ লাখ টাকা পুঁজি বিনিয়োগ করেছেন মাছ চাষে। এক সপ্তাহেও পানি কমার লক্ষণ নেই। কী করবেন ভেবে পাচ্ছেন না।

উপজেলা মৎস্য কর্মর্কতা বেলায়েত হোসেন জানান, তারা প্রতিনিয়ত মৎস্যচাষীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন এবং বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন। প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯ কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে এবং ৭-৮ শত হেক্টর মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। 

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৪ অগাস্ট ২০২৪,/রাত ৮:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit