শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পাকা পেঁপে কী রাসায়নিকমুক্ত? চেনার সহজ উপায় কানাডায় আন্ডারওয়াটার রোবটিক্স প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন এমআইএসটির শিক্ষার্থীরা নতুন ভিসানীতি করছে সরকার, খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী সৌদি আরব নন-ক্যাডারে সহকারী সচিব হলেন ৩৪ কর্মকর্তা প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর উদ্যোগ আনোয়ারায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী ৩০টিরও বেশি চীনা কোম্পানি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে দাম কমল ৩৫৭ টাকা সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার কঠোরভাবে দমন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্ত্রী দেড় বছরের সন্তান নিয়ে শিক্ষার্থীদের কাতারে এক অভিভাবক

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৪ আগস্ট, ২০২৪
  • ১০২ Time View

ডেস্ক নিউজ : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দেড় বছরের শিশু ও তার স্ত্রীকে নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে প্রতিবাদী এক অভিভাবক। শনিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দনিয়া কলেজের সামনে তিনি অবস্থান নেন। এ সময় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও অভিভাবক এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ মহাসড়কে জড়ো হয়ে ৯ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন।

তিনি বলেন, ঘরে থেকেও যেহেতু নিরাপদ নেই, গুলি খেয়ে মরতে হয়। রাস্তায় এসে আন্দোলন করেই মরি। শিশুও দেখুক কি হচ্ছে। ১৯৭১ সালে আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, দাদার কাছে ও বয়স্ক লোকদের কাছে শুনেছি। তাদের বলামতে, ২০২৪ সাল ১৯৭১ সালকে হার মানিয়েছে। শিক্ষার্থীদের একটি যৌক্তিক দাবি মেনে নিলে এত রক্তপাত হতো না। হাজার শিক্ষার্থীকে প্রাণ দিতে হতো না।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন পত্রিকায় ও মিডিয়ায় লিখছে— গত ১৬ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত ২ থেকে আড়াইশ শিক্ষার্থীসহ আন্দোলনকারী মারা গেছে। তারা তো হাসপাতালে যে লোকগুলো মারা গেছে, তাদের বরাত দিয়ে এ সংখ্যা বলছে। আর যখন পুলিশ, র্যাব, বিজিবি— এমনকি সেনাবাহিনী স্থলপথে ও আকাশপথে হাজার হাজার গুলি, টিয়ারশেল, সাউন্ডগ্রেনেড, ছররা গুলি ও গুলি করে এমনকি হেলিকপ্টর দিয়ে টার্গেট করে করে মানুষকে হত্যা করেছে। যারা অন্য স্পটে মারা গেছে, তাদের লাশ তো হাসপাতালে নেওয়া হয়নি। তাদের অভিভাবকরা নিয়ে গেছেন। তাদের হিসাব তো পত্রিকায় বা কোনো ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় গণনায় আসেনি। তাদের হিসাবসহ করা হলে যাত্রাবাড়ী থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত অন্তত চার শতাধিক লোক মারা গেছে। সারা দেশের হিসাব এভাবেই করা হলে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাবে। তাতে করে সারা দেশে কত লোক মারা যেতে পারে আপনাদের কাছে প্রশ্ন রইল।

 

কিউএনবি/অনিমা/০৪ অগাস্ট ২০২৪,/দুপুর ২:৩৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit