বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দুই সুপার ওভারের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার নাটকীয় জয় আজকের মুদ্রার রেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ চীনের প্রভাব কমাতে বাংলাদেশকে সামরিক সরঞ্জাম দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রয়োজনে এমন সিদ্ধান্ত বারবার নেওয়া উচিত’ বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে ক্রীড়া উপদেষ্টা ২ হাজারের বেশি দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে ক্ষমা করলেন খামেনি মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ও ট্রাক প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা জোড়া সুপারওভারে আফগানিস্তানকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা নতুন সরকারের কাছে কী চাইলেন চিত্রনায়িকা বুবলী বহিষ্কার করলেও আমি আমৃত্যু বিএনপির পক্ষেই কাজ করব: মুন্সী ইরানের কাছাকাছি আরও এক বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প

জনবিচ্ছিন্ন হলে আমি মারা যাব: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪
  • ১১১ Time View

ডেস্ক নিউজ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হলে মারা যাব।  কাজেই তিনি যেন জনবিচ্ছিন্ন হয়ে না পড়েন সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হলে কিন্তু আমাকে আর গুলি বোমা লাগবে না, এমনিতেই শেষ হয়ে যাব। কাজেই এরাই আমার প্রাণ শক্তি। এটুকু মনে রাখতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বুধবার এসএসএফ’র ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার কার্যালয়ের (পিএমও) শাপলা হলে আয়োজিত দরবারে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, একটি বিষয় আমি নিশ্চই বলব- আমরা রাজনীতি করি। আমার আর কোনো শক্তি নেই। শক্তি একমাত্র জনগণ। সেই জনগণের শক্তি নিয়েই আমি চলি। 

তিনি বলেন, কাজেই জনবিচ্ছিন্ন যাতে না হয়ে যাই, আমি জানি এটা কঠিন দায়িত্ব। তারপরেও এই দিকেও নজর রাখতে হবে যে এই মানুষগুলোর জন্যই তো রাজনীতি করি। মানুষদের নিয়েই তো পথ চলা। আর যাদেরকে (দলীয় নেতাকর্মী) নিয়েই দেশের মানুষের কাজ করি তাদের থেকে যেন কোনোমতে বিচ্ছিন্ন হয়ে না যাই।

শেখ হাসিনা বলেন, এটা সবসময়ই এসএসএফ’র সদস্যদের আমি বলি এবং মাঝে মধ্যে রাগও করি। কাজেই এই বিষয়গুলো একটু সংবেদনশীলতার সঙ্গে দেখা দরকার। কারণ, আমি যখন সরকারে ছিলাম না এই দেশের মানুষ এবং দলীয় লোক, তারাই আমার পাশে ছিল। তিনি এই সময় এক দরিদ্র রিকশাওয়ালার উপার্জনের সামান্য জমানো অর্থে তাদের দুই বোনের ঢাকায় যেহেতু কোনো বাড়ি নেই এবং ধানমন্ডির বাড়িটিও তারা দান করেছেন সেজন্য তার নামে একটি জমি কেনার এবং তার কাছে হস্তান্তর করতে চাওয়ার একটি ঘটনার উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকবার তাকে নিষেধ করা সত্ত্বেও সে শোনে নাই। সেই রিকশাওয়ালার মৃত্যুর পর তার স্ত্রী সেই দলিলটা তার কাছে হস্তান্তর করতে চাইলে তিনি নিজে সেখানে গিয়ে তাদের বাড়ি তৈরি করে তার স্ত্রীর হাতে দলিল দিয়ে বলেন, এটা মনে করবেন আমারই বাড়ি, এখন আপনারা থাকবেন। অন্যদিকে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর খালেদা জিয়ার জন্য দুইটি বাড়ি, গাড়ি, ক্যাশ টাকা অনেক কিছু রেখে যান। 

জাতির পিতার কন্যা বলেন, ‘এই সাধারণ মানুষগুলোর জন্যই আমার রাজনীতি, এদের ভাগ্যের পরিবর্তন ও জীবনমান উন্নত করাই আমার লক্ষ্য। তাই এইসব মানুষগুলোর কাছ থেকে আমি বিচ্ছিন্ন হতে পারি না। কারণ, এরাই আমার চলার সব শক্তি জোগায়। এটা সবাইকে মনে রাখার জন্য আমি অনুরোধ করছি।’

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। এসএসএফ’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম নাজমুল হাসান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৬ জুন ২০২৪,/সন্ধ্যা ৬:২১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit