মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৭ অপরাহ্ন

চীনের প্রভাব কমাতে বাংলাদেশকে সামরিক সরঞ্জাম দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫১ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির প্রভাব কমাতে বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারকে নিজেদের ও মিত্র দেশের সামরিক সরঞ্জাম দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। যেগুলো চীনা সামরিক সরঞ্জামের বিকল্প হবে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেন-জিদের গণঅভ্যুত্থানের মুখে ভারতে পালিয়ে যান। এরপর বাংলাদেশে ভারতের প্রভাব কমে যায়। এর প্রেক্ষিতে চীন বাংলাদেশে তাদের উপস্থিতি ও প্রভাব গভীর ও জোরালো করে।
সম্প্রতি চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, ভারত সীমান্তের কাছে বাংলাদেশ একটি ড্রোন ফ্যাক্টরি করবে। এছাড়া পাকিস্তানের কাছ থেকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনাও করছে বাংলাদেশ। মাল্টি-রোলের এ যুদ্ধবিমান চীনের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করেছে পাকিস্তান।
এ ব্যাপারে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। চীনের সাথে নির্দিষ্ট কিছু চুক্তির ঝুঁকিগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
বিস্তারিত কোনো কিছু না জানিয়ে তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশ যেন প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ক্ষেত্রে চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে পারে, সেজন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলো বিভিন্ন উন্নত সামরিক সরঞ্জাম দেওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছে।”
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, “চীন ও বাংলাদেশ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে রাজনীতি, অর্থনীতি এবং নিরাপত্তাক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করেছে। এতে উভয় দেশ লাভবান হয়েছে।” 
বাংলাদেশের এ সম্পর্ক তৃতীয় কোনো দেশকে উদ্দেশ্য করে নয় এবং তৃতীয় কোনো দেশ এতে হস্তক্ষেপ করবে- এমনটাও চীন মেনে নেবে না বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য ‘বাংলাদেশ ও ভালো সম্পর্ক থাকুক এমনটা চায়।’বাণিজ্য কূটনীতিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাধান্য
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনশেন বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে ভাবছেন। কিন্তু তারা চান আগামী সরকার যেন দ্রুত সময়ের মধ্যে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করে যেখানে বোঝা যাবে তারা ‘বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত’।
তিনি বলেন, “বাণিজ্য কূটনীতিকে আমরা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছি। আমরা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অর্জিত সাফল্যকে আরও এগিয়ে নিতে নতুন সরকারের সাথে কাজ করার অপেক্ষায় আছি, বিশেষ করে বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তা সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে আমরা আগ্রহী।”
সূত্র: রয়টার্স

 

 

কিউএনবি/খোরশেদ/১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/বিকাল ৫:০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit