স্পোর্টস ডেস্ক : সুপারওভার মানেই ম্যাচের শেষভাগে যেন এক বাড়তি উত্তেজনা। সেই সুপারওভারও যদি টাই হয় তাহলে তাহলে সেই উন্মাদনা যেন পায় ভিন্ন মাত্রা। আজ এমনই বিরল মুহুর্তের সাক্ষী হলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
বুধবার আহমেদাবাদে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৮৭ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায়। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রায়ান রিকেলটন এবং কুইন্টন ডি ককের দুর্দান্ত ফিফটিতে এ রান পায় প্রোটিয়ারা। আফগানিস্তান রান তাড়ায় শুরুতে ভালো খেললেও শেষের দিকে উইকেট হারিয়ে কিছুটা এলোমেলো হয়ে পড়ে। শেষ ওভারে তাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৩ রান, হাতে ছিল একটি উইকেট।
তবে রাবাদার মতো অভিজ্ঞ পেসারের তোপের মুখে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা আসে। প্রথম ডেলিভারিতে নো বল, পরেরটিতে ওয়াইড এবং আরও একটি নো বল করে তিনি আফগানিস্তানকে ম্যাচে ফিরিয়ে দেন। ১৯.৪ ওভারে ১৮৭ রানে আফগানিস্তান অলআউট হয়ে যায়।
প্রথম সুপার ওভারে ব্যাটিংয়ে আসে আফগানিস্তান। ওমরজাই এবং গুরবাজ মিলে ১৭ রান সংগ্রহ করে। এরপর প্রোটিয়াদের হয়ে ডেভিড মিলার এবং ডেওয়ার্ল্ড ব্রেভিস ব্যাটিং করতে আসেন। তারা প্রথম সুপার ওভারে ১৭ রান করে, তবে আফগানিস্তানের ফারুকি প্রথম বলেই ব্রেভিসকে আউট করে দেন। শেষ বলটি ছিল নাটকীয়, যেখানে স্টাবস ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ টাই করে দেন।
দ্বিতীয় সুপার ওভারে প্রোটিয়া দুই ব্যাটার মিলার এবং স্টাবস ঝড় তুলে ২৩ রান সংগ্রহ করেন। আফগানিস্তান তাদের লক্ষ্য ২৪ রান পায়। মোহাম্মদ নবী আউট হয়ে গেলে প্রোটিয়াদের জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। গুরবাজ কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন তবে শেষ পর্যন্ত ৪ রানে জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
এর আগে টসে জিতে আফগানিস্তান প্রোটিয়াদের ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে প্রথম সাফল্য পায়। ফজলহক ফারুকি অধিনায়ক এইডেন মার্করামকে তুলে নেন। তবে প্রোটিয়াদের জন্য রিকেলটন ও ডি কক ব্যাটিংয়ে এগিয়ে যায়। তাদের ৬১ বলের ১১৪ রানের জুটির পর আফগানিস্তানের রশিদ খানের বলে ডি কক আউট হন। রিকেলটনও ২৩ বলে ফিফটি হাঁকান। শেষে মিলার ও জানসেন ক্যামিও ইনিংস খেলেন। আফগানিস্তান থেকে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৩ উইকেট নেন এবং রশিদ খান নেন দুই উইকেট।
আফগানিস্তান লক্ষ্য তাড়ায় দুর্দান্ত শুরু করেছিল। রহমানউল্লাহ গুরবাজ ৪২ বলে ৮২ রান করে সর্বোচ্চ রান করেন, এবং লুঙ্গি এনগিডি ২৬ রানে ৩ উইকেট নেন।
কিউএনবি/খোরশেদ/১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/বিকাল ৫:০০