বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
‎লালমনিরহাটে ভক্তি ও উল্লাসে উদযাপিত শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব ২০২৬ মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ! আটোয়ারীতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে স্বামীর সংবাদ সম্মেলন শার্শায় খিচুড়িতে মিলল কেন্নো: হোটেল মালিকের অস্বীকার, ক্ষোভ প্রকাশ ক্রেতাদের: দূর্ণীতিবাজ আসাদেন বিরুদ্ধে ৫০ হাজার টাকা চাঁদাদাবীর অভিযোগ মাটিরাঙ্গায় পলাশপুর জোনের উদ্যােগে অসহায়দের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরন। খাগড়াছড়িতে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন ওয়াদুদ ভূঁঞা এমপি। বাংলাদেশ সবসময় মেরুকরণের পরিবর্তে অংশীদারিত্বকেই বেছে নেবে সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির ‘পদত্যাগ’ নিয়ে যা বললেন আসিফ মাহমুদ আজকের মুদ্রার রেট: ২৩ জুলাই ২০২৬

রওজা, কবর ও মাজারের পার্থক্য

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৩ জুন, ২০২৪
  • ৮৮ Time View

ডেস্ক নিউজ : কবর হলো- পরকালের সফরের প্রথম ঘাঁটি। যে ব্যক্তি দুনিয়ায় ভালো আমল করবে এবং আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য প্রস্তুতি নেবে, কবর হবে তার জন্য আনন্দের ঘর। আর যে ব্যক্তি খারাপ আমল করবে এবং আল্লাহর আনুগত্যের ক্ষেত্রে ত্রুটি করবে, কবর তার জন্য ভীতি ও অন্ধকারের ঘর।

হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত উসমান (রা.) বলেন, আমি হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, ‘কবর হচ্ছে আখেরাতের প্রথম পর্ব। যে এর আজাব থেকে মুক্তি পাবে, তার জন্য পরবর্তী পর্বগুলো সহজ হয়ে যাবে। আর যে মুক্তি পাবে না, তার জন্য পরবর্তী ধাপগুলো আরও কঠিন হবে।’ -জামে তিরমিজি: ২৩০৮

কোনো মুসলমানকে যেখানে দাফন করা হয় ওই জায়গাকে ‘কবর’ বলা হয়। একাধিক কবরের স্থানকে কবরস্থান। হাদিস শরিফে আছে, ‘মানুষের কবরটি হয়তো জান্নাতের একটি বাগান হবে অথবা জাহান্নামের একটি গর্ত হবে।’ বাগানকে আরবিতে ‘রওজা’ বলা হয়। অতএব নবী-রাসুল ও সাহাবিরা যেহেতু জান্নাতি, তদ্রূপ নেককার মুমিনরাও ইনশাআল্লাহ জান্নাতে যাবেন, তাই তাদের কবরকে সম্মানার্থে ‘রওজা’ বলা যায়।

আর ‘মাজার’ আরবি শব্দ। এর অর্থ হচ্ছে- জিয়ারতের স্থান। এই অর্থে শরিয়ত মতে সব মুমিনের কবরই ‘মাজার’, কেননা সব মুমিনের কবরই জিয়ারতের স্থান এবং কবরই জিয়ারত করা হয়ে থাকে।

তবে আমাদের দেশের অলি-বুজুর্গদের কবরকে সম্মান করে ‘মাজার’ বলা হয়, যেহেতু সেখানে মানুষ বেশি জিয়ারত করে থাকে।

উল্লেখ্য, শরিয়তে নবী-রাসুল (আ.), সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ও অলি-নেককারসহ সব মুমিনের কবরেই জিয়ারতের উদ্দেশ্যে যাওয়ার নির্দেশ রয়েছে।

তবে সিজদা করা, সাহায্য চাওয়া ও যাবতীয় কুসংস্কারের উদ্দেশ্যে কবর, মাজার ইত্যাদিতে যাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং কবর পাকা করা ও তার ওপর কোনো কিছু নির্মাণ করাও নিষিদ্ধ।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৩ জুন ২০২৪,/রাত ৯:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit