বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন

রওজা, কবর ও মাজারের পার্থক্য

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৩ জুন, ২০২৪
  • ৮১ Time View

ডেস্ক নিউজ : কবর হলো- পরকালের সফরের প্রথম ঘাঁটি। যে ব্যক্তি দুনিয়ায় ভালো আমল করবে এবং আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য প্রস্তুতি নেবে, কবর হবে তার জন্য আনন্দের ঘর। আর যে ব্যক্তি খারাপ আমল করবে এবং আল্লাহর আনুগত্যের ক্ষেত্রে ত্রুটি করবে, কবর তার জন্য ভীতি ও অন্ধকারের ঘর।

হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত উসমান (রা.) বলেন, আমি হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, ‘কবর হচ্ছে আখেরাতের প্রথম পর্ব। যে এর আজাব থেকে মুক্তি পাবে, তার জন্য পরবর্তী পর্বগুলো সহজ হয়ে যাবে। আর যে মুক্তি পাবে না, তার জন্য পরবর্তী ধাপগুলো আরও কঠিন হবে।’ -জামে তিরমিজি: ২৩০৮

কোনো মুসলমানকে যেখানে দাফন করা হয় ওই জায়গাকে ‘কবর’ বলা হয়। একাধিক কবরের স্থানকে কবরস্থান। হাদিস শরিফে আছে, ‘মানুষের কবরটি হয়তো জান্নাতের একটি বাগান হবে অথবা জাহান্নামের একটি গর্ত হবে।’ বাগানকে আরবিতে ‘রওজা’ বলা হয়। অতএব নবী-রাসুল ও সাহাবিরা যেহেতু জান্নাতি, তদ্রূপ নেককার মুমিনরাও ইনশাআল্লাহ জান্নাতে যাবেন, তাই তাদের কবরকে সম্মানার্থে ‘রওজা’ বলা যায়।

আর ‘মাজার’ আরবি শব্দ। এর অর্থ হচ্ছে- জিয়ারতের স্থান। এই অর্থে শরিয়ত মতে সব মুমিনের কবরই ‘মাজার’, কেননা সব মুমিনের কবরই জিয়ারতের স্থান এবং কবরই জিয়ারত করা হয়ে থাকে।

তবে আমাদের দেশের অলি-বুজুর্গদের কবরকে সম্মান করে ‘মাজার’ বলা হয়, যেহেতু সেখানে মানুষ বেশি জিয়ারত করে থাকে।

উল্লেখ্য, শরিয়তে নবী-রাসুল (আ.), সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ও অলি-নেককারসহ সব মুমিনের কবরেই জিয়ারতের উদ্দেশ্যে যাওয়ার নির্দেশ রয়েছে।

তবে সিজদা করা, সাহায্য চাওয়া ও যাবতীয় কুসংস্কারের উদ্দেশ্যে কবর, মাজার ইত্যাদিতে যাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং কবর পাকা করা ও তার ওপর কোনো কিছু নির্মাণ করাও নিষিদ্ধ।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৩ জুন ২০২৪,/রাত ৯:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit