ডেস্ক নিউজ : তিনি বলেন, ‘নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে পটুয়াখালীর খেপুপাড়া এবং সুন্দরবন এলাকায় আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। ২৬ মে (রোববার) সকালে অগ্রভাগ দেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। সন্ধ্যা নাগাদ দেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তবে সবই গতির ওপর নির্ভর করবে।’
এখন ধারণা করা হচ্ছে, নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হলে এর কেন্দ্রটা সরাসরি দেশের ওপর আঘাত হানবে। উপকূলের কাছাকাছি চলে এলে এর শক্তি বাড়তে পারে। উপকূল অতিক্রম করার চার-ছয় ঘণ্টার মধ্যে শক্তি হারাতে পারে বলেও জানান আবহাওয়া অফিসের পরিচালক।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শনিবার (২৫ মে) রাত থেকেই উপকূলীয় জেলায় বৃষ্টিপাত হতে পারে জানিয়ে আজিজুর রহমান বলেন, ‘উপকূলের কাছাকাছি এলে ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি বাড়তে পারে। যত কাছে আসবে, তত ভারী বর্ষণ হবে। তবে বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত দেশের গরম কমবে না বলে জানান আবহাওয়া অফিসের পরিচালক।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিম্নচাপটি উত্তর পূর্বে আরও ঘনীভূত হচ্ছে। কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ ৪০-৫০ কিলোমিটার। ফলে সাগর উত্তাল রয়েছে। নিম্নচাপটি সন্ধ্যা নাগাদ গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে।’
‘নিম্নচাপের কারণে চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা সমুদ্রবন্দরে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত দেখানো হচ্ছে। মাছধরার নৌকা এবং ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে,’ যোগ করেন আবহাওয়া অফিসের পরিচালক।
এদিকে আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা বলা হয়েছে, নিম্নচাপটি ভোর ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৭০, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৮০৫, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮২৫ এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৯০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিলো। এটি আরও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।
কিউএনবি/আয়শা/২৪ মে ২০২৪,/দুপুর ২:১৪