আইজিপি বলেন, ‘নির্বাচনে সারা দেশের ৪২ হাজারেরও বেশি কেন্দ্রের নিরাপত্তায় পুলিশের তিন ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে। এর মধ্যে রয়েছ-প্রতিটি কেন্দ্রে স্থির বা স্ট্যাটিক ফোর্স, ভ্রাম্যমাণ বা মোবাইল টিম ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য স্ট্রাইকিং টিম।’
তিনি আরো বলেন, ‘এবার ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় প্রযুক্তির ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৮০ বা ৯০ শতাংশ কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া পুলিশ সুপাররা তাদের সক্ষমতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন।’
পুলিশপ্রধান বলেন, ‘নির্বাচনী নিরাপত্তায় পুলিশের নিয়োজিত মোট সংখ্যা ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮০৫ জন। এর মধ্যে কেন্দ্রে স্থির বা স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে ৯৩ হাজার ৩৯১ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এ ছাড়া সাপোর্ট বা সহায়তাকারী পুলিশের সংখ্যা ২৯ হাজার ৭৯৮ জন। এ হিসেবে নির্বাচনে পুলিশের নিরাপত্তা পরিকল্পনায় মোট মোতায়েন থাকবে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য।’
আইজিপি আরো বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপের অংশ হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় লাইসেন্সকৃত অস্ত্র থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এ কার্যক্রমের আওতায় মোট ২৭ হাজার ৯৯৫টি লাইসেন্সকৃত বৈধ অস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে জমা পড়েছে।’তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ ছাড়াও সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি ও প্রায় ৬ লাখ আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবে।’
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এ কে এম আওলাদ হোসেন (অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন), মো. আকরাম হোসেন (অতিরিক্ত আইজি (অর্থ), মোসলেহ উদ্দিন আহমদ অতিরিক্ত আইজি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) ও সরদার নূরুল আমিন অতিরিক্ত আইজি (ডেভেলপমেন্ট)।