স্পোর্টস ডেস্ক : সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভোরের আলো ফুটে উঠার আগেই শুরু হয় ম্যারাথন। শহরের শেখ হাসিনা সড়কের তিতাস সেতু থেকে দৌড় শুরু হয়। পরে মনিপুর সেতু ঘুরে আবারও তিতাস সেতুতে এসে ১০ কিলোমিটার দৌড় শেষ করেন অংশগ্রহণকারীরা। সুস্থ দেহ সবল মনের জন্যে দৌড়ের কোনো বিকল্প নেই বলে জানান তারা।
দৌড় প্রতিযোগিতাকে সামাজিক আন্দোলন হিসেবে আখ্যায়িত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রানার্স কমিউনিটির উপদেষ্টা প্রফেসর দিলারা আক্তার বলেন, ‘আমরা বেশ কয়েকবার এমন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। মূলত যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখার জন্য আমাদের এ প্রয়াস। আগামী অক্টোবর মাসে বড় পরিবেশে হাফ ম্যারাথন আয়োজন করব। গতবার ৪টি দেশের দৌড়বিদ অংশগ্রহণ করেছিলেন। আমরা আশা করি এবার সংখ্যাটা বাড়বে।’
দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া শাহআলম পাটোয়ারি জানান, তিনি সরকারী কলেজের ছাত্র। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পেরে খুবই খুশি। তিনি মনে করেন, প্রত্যেকের জীবন সুস্থ এবং সবল রাখার জন্য দৌড়ের কোনো বিকল্প নেই। আরেক প্রতিযোগী আমির হোসেন জানান, এমন আয়োজন আরও বেশি বেশি হওয়া প্রয়োজন।
ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় মোট দুটি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন বয়সী ১৪০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের আয়োজকরা।
কিউএনবি/আয়শা/১৭ মে ২০২৪,/সন্ধ্রা ৬:১৮