বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জল্পনায় ইতি টেনে অমিতাভ বললেন ‘অবসর নয়, ঘুমাতে যাচ্ছিলাম’ ম্যানইউর ইংলিশ বিস্ময়বালকের ক্লাব ছাড়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় হতবাক কর্তৃপক্ষ-সমর্থকরা ডাকসুর মেঝেতে জিন্নাহ ও গোলাম আযমের ছবি রেখে শিক্ষার্থীদের পদদলন মুডিসের সুখবর: বাংলাদেশের ঋণমান এখন ‘স্থিতিশীল’ ‎দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে—–সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আশুলিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থীকে সমর্থন করায় পোশাক শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ আটোয়ারী উপজেলা দুপ্রক’র উদ্যোগে সততা স্টোর পরিদর্শন ও আলোচনা সভা হাতিয়ায় ফের শ্রেণি কক্ষে অসুস্থ ২১ শিক্ষার্থী নিম্নাঞ্চল ডুবিয়ে নয়,জীবন-জীবিকা সুরক্ষায় কাপ্তাই হ্রদের পানি ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্ত মেঘনায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল কৃষকের

বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ড থেকে বেঁচে ফেরা দুজন যা বললেন

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪
  • ১৩৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : ৭ তলা ভবনের পুরোটাই আগুনের ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে যায়। ভবনের বিভিন্ন ফ্লোরের লোকজন ছাদে উঠার চেষ্টা করেন। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল অনেকের। অনেকে ওই ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন। বাঁচার জন্য তারা বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করতে থাকেন। অনেকে গ্লাস ভেঙে গ্রিল ধরে নামেন। অনেকে লাফ দেন। আগুন লাগার পর আমরা আর গেট দিয়ে বের হতে পারি নাই। দৌড়ে উপরে যাই।

শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বেডে শুয়ে কথাগুলো বলছিলেন বেইলি রোডের বাণিজ্যিক ভবনের অগ্নিকাণ্ড থেকে বেঁচে ফেরা দুজন। তারা দুজনই ওই ভবনের ভিন্ন দুটি রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন।

নিচতলার ‘মেজবানি খানা’ নামে রেস্টুরেন্টের কর্মী কামরুল হাসান বলেন, আমরা প্রথমে একটা শব্দ পেয়ে বাইরের দিকে তাকাই। তখন গেটের সামনে আগুন দেখতে পাই। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুনের ধোঁয়া পুরো বিল্ডিংয়ে ছড়িয়ে যায়। আমরা আর গেট দিয়ে বের হতে পারি নাই। তখন আমরা যারা রেস্টুরেন্টে ছিলাম তারা উপরের দিকে উঠে যাই। কিন্তু সিঁড়িতে ৫ তলা পর্যন্ত উঠে আটকে যাই। আগে থেকেই অনেক লোক সেখানে অবস্থান করছিল। ওপরে আর উঠতে পারি নাই লোকের কারণে। ওই ফ্লোরে একটা রেস্টুরেন্ট আছে, আমরা কিছু মানুষ তখন সেখানে আশ্রয় নেই।

আগুনের ধোঁয়ায় ভবনে থাকা অধিকাংশ মানুষ অসুস্থ হয়ে যায় জানিয়ে তিনি বলেন, ধোঁয়ায় নি:শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় যায়৷ যে যার মতো এদিক-ওদিক দৌড়াদৌড়ি করতে থাকে। যতটুকু দেখেছি অনেকে এই ধোঁয়ার কারণে হাঁটতে পারছিল না। এই ধোঁয়া বের হওয়ার মতো কোনো ব্যবস্থা নাই। ওই ফ্লোরের রেস্টুরেন্টের কিচেনে একটু ফাঁকা ছিল, ওইটা দিয়ে আমি নিচে লাফ দেই। তারপর আর আমার কোনো হুঁশ ছিল না।

ভবন থেকে বের হওয়ার জরুরি কোনো সিঁড়ি ছিল না জানিয়ে কামরুল বলেন, আমি ওখানে ১ বছর ধরে কাজ করি। লিফট আর সিঁড়ি ছাড়া বিল্ডিং থেকে নামার অন্য কোনো ব্যবস্থা দেখি নাই।

কাঁচে ঘেরা বদ্ধ ভবনে বাতাস আসা-যাওয়ার মতো অবস্থা ছিল না জানিয়ে ওই ভবনের তিনতলায় অবস্থিত ‘খানাস রেস্টুরেন্টে’র কর্মী জুবায়ের বলেন, ঘটনার সময় আমি খাবার তৈরির কাজ করছিলাম। পরে আমাদের ক্যাশিয়ার এসে বলে নিচে আগুন লাগছে। সবাই উপরে আসেন। আমি বের হয়ে নিচে নামার জন্য গেলে দেখি সবাই উপরেই উঠতেছে। নিচ থেকে সিঁড়ি দিয়া কালো ধোঁয়া ওপরেই আসতাছে। দৌড়ে ছাদে যাই। সেখান থেকে অনেকের দেখাদেখি আমিও ছাদ থেকে লাফ দেই। তারপর আর কিছু মনে নাই।

ভবনের রেস্টুরেন্টগুলোতে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডারগুলো নিচে থাকে বলে জানান তিনি।
 

 

কিউএনবি/অনিমা/০১ মার্চ ২০২৪,/বিকাল ৫:২৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit