শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিল্পকলায় শেষ হলো দুই দিনব্যাপী নজরুল অনুষ্ঠানমালা নেপালের বন্যায় ২৫০ মাইল দূরেও মিলছে লাশ, মর্গেও জায়গা নেই ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছেন পুতিন: রিপোর্ট লিবিয়ার রাজনৈতিক বিভাজনের অবসানে কাতারের প্রতিশ্রুতি এই প্রথম ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে ব্যারিস্টার পদধারী  বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ ৩৩৮ এজেন্সির ফ্যাসিবাদী সরকারের জ্বালানি নীতির কারণেই বর্তমান সংকট: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সিমনের পরীক্ষা নিয়ে রাফিনিয়া-লোপেজের গোলে জিতল বার্সেলোনা প্রতিভা থাকলেই হবে না, বিশ্বকাপ খেলতে রোহিতকে যা করতে হবে ২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া-ভিয়েতনাম-থাইল্যান্ডকে ছাড়াবে বাংলাদেশ

সেলাই মেশিনই হবে ভাগ্যবদলের হাতিয়ার

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১১৮ Time View

ডেস্ক নিউজ : উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়েই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয় দরিদ্র পরিবারের মেয়ে বর্ষা আক্তারকে। স্বামীর বাড়ি জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল পৌর সদরের কলেজ রোড এলাকায়। স্বামী সোলায়মান আলী প্রতিবন্ধী। সদরের একটি কেজি স্কুলে শিক্ষকতা করেন সোলায়মান। বেতন সামান্য হওয়ায় সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকে। এ জন্যই বাড়তি রোজগারের চেষ্টা করেন বর্ষা। অনেক জায়গায় ধরনা দিয়ে ব্যর্থ হন। শেষে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণে অংশ নেন। পাঁচ মাস প্রশিক্ষণ নিয়ে বর্ষা দরজির কাজ রপ্ত করেন।

প্রশিক্ষণ শেষে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন দেওয়ার কথা জানলেও বিশ্বাস হয়নি তাঁর। সম্প্রতি ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সেলাই মেশিন গ্রহণের জন্য ডাক পেয়ে কিছুটা হকচকিয়ে যান বর্ষা। কিছুতেই যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। অবশেষে মেশিন পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হন বর্ষা। সেলাই মেশিন পাওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করে বর্ষা বলেন, ‘আমাদের মতো অসচ্ছল ও অসহায় নারীদের স্বাবলম্বী করার ব্রত নিয়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। এই মেশিনের মাধ্যমে আমি স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করব। আশা করি, সংসারের অভাব দূর করতে পারব।’

ইটাখোলা হাটের হরিজন সম্প্রদায়ের এতিম মেয়ে আঁখি বাঁশফোঁড়। ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়েছেন। অনেক কষ্টে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছেন। অভাবের কারণে পড়ালেখা আর চালানো সম্ভব হয়নি। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর তাগিদে অংশ নেন বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণে। প্রশিক্ষণ শেষে বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় সেলাই মেশিন।

আঁখি বলেন, ‘এখন সামনে এগোনোর পালা। সেলাইয়ের কাজ করে মাকে সহযোগিতা করতে পারব। এই সেলাই মেশিনই হবে আমার ভাগ্যবদলের হাতিয়ার। আমি প্রাণ থেকে প্রার্থনা করি, আমাকে যাঁরা এ কাজে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন, ভগবান যেন তাঁদের মঙ্গল করেন।

কিউএনবি/অনিমা/২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪/সকাল ১০:৪৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit