ঘরের মাঠে শুরু থেকেই চাপে ছিল পর্তুগিজ ক্লাবটি। বল দখলের লড়াই কিংবা গোলের উদ্দেশ্যে শট, সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে ছিল ইংলিশ জায়ান্ট আর্সেনালই। যদিও একের পর এক আক্রমণ করেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। ম্যাচের শেষ মুহুর্তে যোগ করা সময়ে (৯৪তম মিনিটে) স্বাগতিক দর্শকদের আনন্দের জোয়াড়ে ভাসান ব্রাজিলিয়ান ওয়েন্ডারসন গালেনো।
তার গোলের মাধ্যমেই হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় সফরকারী আর্সেনালকে। রাতের অন্য ম্যাচটিকে বলা যায়া ‘ম্যারাডোনা ডার্বি’। কারণ ম্যারাডোনার উপস্থিতির কারণেই বিশ্বমঞ্চে এফ সি পোর্তোকে চিনেছিল ফুটবল সমর্থকরা। এছাড়াও বার্সেলোনাতেও দুই মৌসুম খেলেছিলেন ফুটবলের এই জাদুকর। তাই তাঁর খেলা দুই ক্লাবের মাঝে ছিল এই লড়াই।
নিজেদের লিগে এই দুই দলের কেউই শিরোপার দৌড়ে আর নেই। তাই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপার দিকেই নজর তাদের। এদিন ৬০তম মিনিটে ম্যাচের প্রথম গোলটি করেছেন লেভানডোভস্কি। যদিও ৭৫তম মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান অসিমেন। পরে আর কেউই গোলের দেখা না পাওয়ায় সমতা নিয়েই মাঠ ছাড়ে দু’দল।



























