আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রোববার (২১ জানুয়ারি) ১৬ পৃষ্ঠার এক প্রতিবেদনে হামাস আরও জানায়, এই অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে তারা কিছু ভুলভ্রান্তিও করেছে। ইসরাইলের নিরাপত্তা ও সামরিক ব্যবস্থা দ্রুত ভেঙ্গে পড়ার কারণে গাজা সীমান্তে বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়েছে।
ইসরাইলের বিরুদ্ধে ৭ অক্টোবরের হামলা নিয়ে হামাসের এই প্রতিবেদনটি ইংরেজি ও আরবি ভাষায় প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যদিয়ে হামাস ৭ অক্টোবরের হামলাকে ন্যায়সঙ্গত উল্লেখ করে বলেছে,আমরা মনে করি এই হামলা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ছিল এবং এর মধ্যদিয়ে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইলের ষড়যন্ত্রের প্রতি স্বাভাবিক জবাব দিয়েছি আমরা।ইসরাইলে হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলায় ১১শর বেশি মানুষ মারা যায়। তার মধ্যে বেশিরভাগই বেসামরিক বলেও প্রতিবেদনে জানায় তারা। হামলার সময় ২শ ৫০ জনকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে আসা হয়। ইসরাইলের দাবি, গাজায় এখনও ১৩২ জন বন্দি আছেন। আর ২৭ জন মারা গেছেন বলে ধারণা তাদের।
প্রতিবেদনে গাজার জনগণের বিরুদ্ধে জাতিগোষ্ঠী নির্মূলের যে অপরাধ ইসরাইল সংঘটিত করেছে তা দ্রুত বন্ধের আহবান জানায় হামাস। এছাড়াও যুদ্ধপরবর্তী গাজায় ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো ধরণের আন্তর্জাতিক ও ইসরাইলের প্রচেষ্টাকে নাকচ করে দিয়েছে সংগঠনটি। বলেছে,আমরা জোর দিচ্ছি যে ফিলিস্তিনের মানুষ তার ভবিষ্যত নিজেরাই নির্ধারণ করার যোগ্যতা রাখে।
বিশ্বের কারও সেই অধিকার সেই তাদের ভবিষ্যত ঠিক করে দেয়ার। গত বছরের ৭ অক্টোবরে হামাসের হামলার পর থেকে গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। এতে ২৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যার বেশিরভাগই নারী ও শিশু বলে জানিয়েছে হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ৃ
কিউএনবি/আয়শা/২১ জানুয়ারী ২০২৪,/রাত ১১:২৯