বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন

বাড়ছে সিগারেটের দাম

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ২১ Time View

ডেস্কনিউজঃ দেশে সব ধরনের সিগারেটের দাম বাড়ছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এমন প্রস্তাবই থাকতে পারে। একই সঙ্গে নিকোটিন পাউচ আমদানিতে ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব থাকতে পারে। হিটেড টোব্যাকোতে প্রতি ১০ শলাকায় (২১০ টাকা) ৬৭ শতাংশ করার প্রস্তাব থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আর এই বাজেটে এসব প্রস্তাব থাকতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজস্ব সম্ভাবনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির সর্বোচ্চ সমন্বয় বিবেচনায় নিয়ে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রে সিগারেটের ন্যূনতম খুচরামূল্য নিম্নস্তরের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকা ৬২ টাকা, মধ্যমস্তর ৯২ টাকা, উচ্চস্তর ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তর ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হতে পারে।

অর্থাৎ সিগারেটের প্রতি ১০ শলাকায় নিম্নস্তরে ৬০ টাকা থেকে ২ টাকা বাড়িয়ে ৬২ টাকা, মধ্যমস্তরে ৮০ টাকা থেকে ১২ টাকা বাড়িয়ে ৯২ টাকা, উচ্চস্তরে ১৪০ টাকা থেকে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরে ১৮৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা বাড়িয়ে ২১০ টাকা করার প্রস্তাব থাকতে পারে।

সূত্রে জানা গেছে, বাজেটে এবার প্রথমবারের মতো নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকোর ওপর নিম্নবর্ণিত হারে সর্বোচ্চ খুচরামূল্য ও সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হতে পারে।

বাড়ছে না বিড়ির দাম
নিকোটিন পাউচের ৫০০ টাকায় (প্রতি ১০ গ্রাম) ৪০ শতাংশ ও হিটেড টোব্যাকোয় ২১০ টাকায় (প্রতি ১০ শলাকা) ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব থাকতে পারে।

একই সঙ্গে অবৈধ তামাকপণ্যের বাণিজ্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে তামাকপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ নিবিড় মনিটরিং করার জন্যে ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ পদ্ধতি প্রণয়নের প্রস্তাব করা হতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর নিকোটিন গ্র্যানুলস ও নিকোটিন পাউচ আমদানি নিরুৎসাহিত করার জন্য নতুন কোড সৃজনপূর্বক ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হতে পারে।

জানতে চাইলে তামাক নিয়ন্ত্রণ গবেষক সুশান্ত সিনহা জাগো নিউজকে বলেন, কর না বাড়িয়ে যেভাবে সিগারেটের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে তাতে বহুজাতিক সিগারেট কোম্পানিগুলো বিশাল মুনাফা করার সুযোগ পাবে। দেশের মোট সিগারেটের ৬০ শতাংশই নিম্নস্তরের সিগারেট, যেখানে শলাকাপ্রতি মাত্র ২০ পয়সা দাম বাড়ানো হয়েছে। দেশে তো খুচরা পয়সার চল নেই, তাই একটা সিগারেট ৬ টাকা ২০ পয়সা দাম হলেও ভোক্তাদের গুনতে হবে ৭ টাকা। অর্থাৎ প্রতি শলাকায় ৮০ পয়সা বাড়তি নিলে নিম্নস্তরের ৪ হাজার কোটি শলাকায় ভোক্তাদের পকেট থেকে যাবে ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। তাই কোম্পানির মুনাফা লাভের এই প্রস্তাব মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।

কিউএনবি/বিপুল/১০.০৬.২০২৬/রাত ১১.১১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit