স্পোর্টস ডেস্ক : কমনওয়েলথ গেমসের আসর শুরু হয়েছিল একটি বিশেষ অপেক্ষা নিয়ে। কে জিতবেন প্রথম স্বর্ণ? কোন দেশের জাতীয় সংগীত প্রথমবারের মতো বাজবে বিজয়মঞ্চে? গ্লাসগোর প্রথম স্বর্ণপদক উঠল ইংল্যান্ডের ঝুলিতে। আর স্বাগতিক স্কটল্যান্ডের প্রথম সোনার হাসি এনে দিলেন ডানকান স্কট।
কিন্তু গ্লাসগোর মানুষ অপেক্ষা করছিলেন আরেকটি মুহূর্তের জন্য। তাঁদের শহরের ছেলে, অলিম্পিক ও বিশ্ব আসরের তারকা সাঁতারু ডানকান স্কট কবে এনে দেবেন স্বাগতিকদের প্রথম স্বর্ণ।অপেক্ষা খুব বেশি দীর্ঘ হয়নি। পুরুষদের ২০০ মিটার ব্যক্তিগত মেডলে শুরু থেকেই নিজের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন ডানকান। প্রতিটি টার্নে গ্যালারির গর্জন আরও জোরালো হয়েছে। শেষ ল্যাপে তিনি যখন দেওয়াল স্পর্শ করলেন, তখন স্কোরবোর্ডে জ্বলে উঠল নতুন গেমস রেকর্ড১ মিনিট ৫৬.৩৮ সেকেন্ড।
মুহূর্তেই সুইমিং অ্যারেনা আনন্দে ফেটে পড়ে। দর্শকদের উল্লাসে হারিয়ে যায় সব শব্দ। নিজের শহরে, নিজের মানুষের সামনে স্বাগতিকদের প্রথম স্বর্ণ জিতে ডানকান স্কট গ্লাসগোর হৃদয়ই ছুঁয়ে দিলেন।
একদিকে মার্ক সোয়ানের শক্তি, অন্যদিকে ডানকান স্কটের গতি। দুটি ভিন্ন অঙ্গন, দুটি ভিন্ন লড়াই, অনুভূতি ছিল একই অগণিত মানুষের স্বপ্ন পূরণের আনন্দ। গেমসের অনেক পথ বাকি। আরও অসংখ্য পদক জিতবে বিভিন্ন দেশ, ভাঙবে নতুন রেকর্ড, জন্ম নেবে নতুন নায়ক।
কিন্তু গ্লাসগোর ইতিহাসে প্রথম দিনের কথা লিখতে গেলে মার্ক সোয়ান এবং ডানকান স্কটের নামই সবার আগে লিখতে হবে। একজন লিখেছেন প্রথম স্বর্ণের ইতিহাস। অন্যজন উপহার দিয়েছেন স্বাগতিকদের প্রথম সোনালি হাসি। সেই দুই সোনার আলোয় গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসের পদক লড়াইয়ের প্রথম সকাল হয়ে রইল আরও উজ্জ্বল, আরও স্মরণীয়।
কিউএনবি/আয়শা/২৫ জুলাই ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:১২