বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর বরাবর শ্রমিকজোট স্কপের স্মারকলিপি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ২২ Time View

ডেস্কনিউজঃ চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি)সহ যে কোনো অংশ বা স্থাপনা বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ড অথবা অন্য কোনো বিদেশি কোম্পানির হাতে ইজারা চুক্তিতে ছেড়ে দেয়ার উদ্যোগের বিরুদ্ধে ফের ফুঁসে উঠেছে আন্দোলনরত শ্রমিক কর্মচারী সংগঠনসমূহ। পতিত পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলে নেয়া চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি অপারেটরের কাছে বিকিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পর এবার নির্বাচিত সরকারের আমলেও বাস্তবায়নের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে পুরনো সেই সিন্ডিকেট। নিউমুরিং টার্মিনাল, সিসিটি, জিসিবি অথবা অন্য যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিদেশিদের কাছে নিয়ন্ত্রণে দেয়া হবে না— মর্মে সরকারের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বৃহত্তর জাতীয় শ্রমিক জোট শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) চট্টগ্রাম।

বুধবার চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চত্বরে এক সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর দেয়া স্মারকলিপিতে বৃহত্তর জাতীয় শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য জোট স্কপের নেতৃবৃন্দ ৬ দফা দাবি দাওয়া তুলে ধরেন।

শ্রমিক কর্মচারী নেতারা দেশের অর্থনীতির হৃদপি- চট্টগ্রাম বন্দর তথা জাতীয় স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে বন্দর ইজারা ইস্যুতে সৃষ্ট বিতর্ক নিরসনের আহ্বান জানান। স্কপ নেতারা ইতোপূর্বে লন্ডনে অবস্থানকালীন তারেক রহমান চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা চুক্তিতে দেয়ার যে ক্ষতিকর বিষয় উল্লেখ করেছিলেন তা-ও স্মরণ করিয়ে দেন।

তাছাড়া বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট হাসিনা স্বৈরাচার এবং বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আমলে বন্দর বিদেশিদের ইজারার বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ও বিএনপির আন্দোলনের ভূমিকা তুলে ধরেন।

তারা বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের অন্য কোনো টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিকট ইজারা প্রদান করা হলে তা কার্যত পূর্ববর্তী স্বৈরাচারী হাসিনা আমলের সেই জাতীয় স্বার্থবিরোধী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতা হিসেবে জনগণের কাছে প্রতীয়মান হবে।

স্কপ নেতারা বলেছেন, আমরা বিশ্বাস করি, দেশের জনগণের স্বার্থ, জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। জাতীয় সম্পদ চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর বাংলাদেশের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ অক্ষুণœ রাখবে।

শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের স্কপ ঘোষিত দাবিনামার মধ্যে রয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি, সিসিটি, জিসিবিসহ কোনো টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরকে হস্তান্তরের সকল উদ্যোগ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে; ডিপি ওয়ার্ল্ড বা অন্য কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ সংক্রান্ত চলমান আলোচনা ও প্রক্রিয়া বাতিল করতে হবে; বন্দর পরিচালনায় দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন এবং দক্ষ জনবল উন্নয়নের মাধ্যমে জাতীয় নিয়ন্ত্রণ অক্ষুণœ রাখতে হবে; বন্দর শ্রমিক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলা ও দমনমূলক কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে হবে; চট্টগ্রাম শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকের ব্যবস্থা করে তাদের মতামত ও উদ্বেগ সরাসরি শোনার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে; চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি নিয়ন্ত্রণে দেয়া হবে না-এ মর্মে সরকারের সুস্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রদান করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে দেওয়া স্মারকলিপিতে চট্টগ্রাম শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ, চট্টগ্রামের পক্ষ থেকে দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব, কৌশলগত স্বার্থ এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার রক্ষার প্রশ্নে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম জাতীয় অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। দেশের ৯২ শতাংশ আমদানি-রফতানি কার্যক্রম এই বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ফলে চট্টগ্রাম বন্দর কেবল একটি বাণিজ্যিক স্থাপনা নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, জাতীয় স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্বের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনালসমূহ, বিশেষ করে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি), চিটাগং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি), জেনারেল কার্গো বার্থ (জিসিবি) এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো বিদেশি অপারেটরের নিকট হস্তান্তরের উদ্যোগ পুনরায় সক্রিয় করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগ জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং দেশের কৌশলগত স্বার্থের প্রশ্নে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে আংশিক এবং ২০১৫ সালে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হওয়ার পর থেকে এনসিটি চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আয়ের উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে নির্মিত এই টার্মিনালটি ধারাবাহিকভাবে মুনাফা অর্জন করে আসছে। দেশের শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং দেশীয় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালিত এই টার্মিনাল বর্তমানে দেশের সবচেয়ে লাভজনক কনটেইনার টার্মিনাল।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত ২০২৬ সালের মে মাসে এনসিটিতে মোট ১,২৬,৪৯৬ টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে, যা টার্মিনালটির ইতিহাসে এক মাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর মধ্যে আমদানি কনটেইনার ছিল ৫৯,৮৫১ টিইইউ এবং রপ্তানি কনটেইনার ছিল ৬৬,৬৪৫ টিইইউ। দৈনিক গড়ে প্রায় ৪,০৮১ টিইইউ কনটেইনার ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ১,২৫,৫৩৩ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড ছিল, যা চলতি বছরের মে মাসে অতিক্রম করা হয়েছে।
এসব তথ্য স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে দেশীয় দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এনসিটি সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং এর কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে উন্নত হচ্ছে।

সিসিটি ও এনসিটি উভয় টার্মিনালই বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত। দীর্ঘদিন ধরে দেশীয় জনবল ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এগুলো সফলভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। ফলে বিদেশি কোম্পানি ছাড়া বন্দর পরিচালনা সম্ভব নয়—এ ধরনের বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

পিপিপি কর্তৃপক্ষ ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের মধ্যে গত বছরের ৪ এপ্রিল স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) অনুচ্ছেদ ৪.৬ অনুযায়ী, বিনিয়োগকারী নির্বাচন-পরবর্তী পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রকল্পের শর্তাদি নিয়ে আলোচনা হবে এবং উভয় পক্ষই নিজ বিবেচনায় যেকোনো সময় আলোচনা থেকে সরে আসতে পারবে। অর্থাৎ সরকার চাইলে চলমান প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে বাতিল করার সুযোগ বিদ্যমান রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে স্বীকৃত। একই এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের স্থাপনা এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অবস্থিত। ফলে এই অঞ্চলের পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ কেবল ব্যবসায়িক বিষয় নয়; এটি জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

স্মারকলিপিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলা হয়, আপনি লন্ডনে অবস্থানকালীন দেওয়া বক্তব্যে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিকট ইজারা প্রদান করা উচিত হবে না– মর্মে অভিমত প্রকাশ করেছিলেন। আপনার সেই বক্তব্য চট্টগ্রামসহ সারা দেশের বন্দর শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপক আশার সঞ্চার করেছিল। জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনে তা গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। আজ আপনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই অবস্থায় যদি এনসিটিসহ চট্টগ্রাম বন্দরের অন্য কোনো টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরের নিকট হস্তান্তর বা ইজারা প্রদান করা হয়, তবে তা জনগণের প্রত্যাশা ও বিশ্বাসের পরিপন্থী হবে এবং দেশের শ্রমিক-কর্মচারীসহ সাধারণ জনগণ গভীরভাবে আশাহত হবে।

উল্লেখ্য যে, ১৯৯৭ সালে এসএসএ পোর্টকে বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা প্রদানের প্রক্রিয়ার সূচনা হয়েছিল। পরবর্তীতে এনসিটিসহ দেশের বিভিন্ন বন্দর টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরের নিকট হস্তান্তরের যে উদ্যোগসমূহ গ্রহণ করা হয়েছে, তার অধিকাংশই বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রণীত পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা। ফলে বর্তমানে এনসিটি বা চট্টগ্রাম বন্দরের অন্য কোনো টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিকট ইজারা প্রদান করা হলে তা কার্যত পূর্ববর্তী স্বৈরাচারী সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতা হিসেবে জনগণের কাছে প্রতীয়মান হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের ইতিহাসে সবচেয়ে বৃহত্তম গণআন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে, যখন বন্দর টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরের হাতে হস্তান্তরের উদ্যোগের বিরুদ্ধে শ্রমিক-কর্মচারী, সাধারণ জনগণ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল।

এই আন্দোলনের অন্যতম অংশীদার ছিল জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এবং চট্টগ্রাম বিএনপির নেতৃবৃন্দ। তাদের সক্রিয় সমর্থন জনগণের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল। আমরা বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করছি, জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এই বিষয়ে জনগণের অবস্থান ও অনুভূতিকে যথাযথ গুরুত্ব প্রদান করা হোক।

আমরা আশঙ্কা করছি যে, চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনালসমূহ বিদেশি অপারেটরের হাতে হস্তান্তর করা হলে— জাতীয় অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে; রাষ্ট্রের কৌশলগত অবকাঠামোর ওপর বিদেশি প্রভাব বৃদ্ধি পাবে; দেশীয় কর্মসংস্থান সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে; শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার ও চাকরির নিরাপত্তা বিঘিœত হতে পারে; বন্দর পরিচালনায় বাংলাদেশের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা দুর্বল হবে; দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হবে।

এনসিটি সিসিটিসহ চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো স্থাপনা ইজারা না দেয়ার দাবিতে গতকাল স্কপের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের আগে জেলা পরিষদ কার্যালয়ের সম্মুখে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম স্কপের যুগ্ম সমন্বকায়রী এস কে খোদা তোতন। স্কপের অন্যতম যুগ্ম সমন্বকায়রী ইফতেখার কামাল খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য প্রদান করে টিইউসি চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাবেক চট্টগ্রাম বন্দর সিবিএ সেক্রেটারি কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, ট্রেড ইউনিয়ন সঙ্ঘের সভাপতি খোরশেদ আলম, বিএফটিইউসির সাধারণ সম্পাদক কে এম শহিদুল্লাহ, বিএলএফ এর সভাপতি নুরুল আবছার তৌহিদ, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের হেলাল উদ্দিন কবির, ডক শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন, সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ শেষে এক বিশাল মিছিল সহকারে স্কপের নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

কিউএনবি/বিপুল/১০.০৬.২০২৬/রাত ১১.০৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit