যতই নরম করে রুটি বা পরোটা বানানোর চেষ্টা করুন, কিছুতেই সেটা হয়ে উঠছে না? এবার পরোটা বা রুটি তৈরি করার সময় যখন আটা বা ময়দা মাখবেন, তখন পানির সঙ্গে সামান্য দুধ দিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে দিন। রুটি বা পরোটা যেটাই তৈরি করুন না কেন নরম হবে।
ভাত রান্না করতে গেলেই যায় বা মাড় গালার পর ভাত দলা পাকিয়ে ওঠে। তাই ভাত রান্না করার সময় তাতে ১ চা চামচ সয়াবিন তেল মিশিয়ে নিন।
চালের মধ্যে পোকা ধরলে চালের কৌটার মধ্যে এবার থেকে কয়েকটা শুকনো মরিচ আর একটা ছোট্ট কাপড়ে বিটলবণ বেঁধে রেখে দিলে সহজে পোকা ধরবে না।
চিনিতে পিঁপড়া ধরে যাওয়া। এই সমস্যা এড়ানোর জন্য চিনির কৌটায় কয়েকটা লবঙ্গ নিয়ে রেখে দিলে উপকার পাবেন।
ডিম ছাড়ানোর সময় কিছুতেই সহজে খোসা ছাড়াতে পারেন না? এবার থেকে ডিম সেদ্ধ করার সময়ে পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে দিন। দেখবেন খুব সহজে খোসা ছাড়িয়ে ফেলতে পারছেন।
পিঠা বা মিষ্টি তৈরি করতে তো বটেই, রান্নাতেও মাঝে মাঝেই নারিকেলের প্রয়োজন হয়। অথচ রোজ রোজ নারিকেল কেনা আর ছাড়ানো তো সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে নারিকেল কুরিয়ে এয়ার টাইট কৌটায় করে ফ্রিজে রেখে দিলে সেটা বেশ কিছুদিন পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন।
লেবু কাটতে যাওয়ার আগে দেখলেন তাতে রস কম রয়েছে? তা হলে এক ঘণ্টা গরম পানিতে ডুবিয়ে রেখে কাটলে ভালো লেবুর রস পাবেন।
সবজি রান্না করার সময় ওদের রঙ প্রায়ই নষ্ট হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে এক্কেবারে শেষে লবণ দিলে সবজির রঙ ঠিকঠাক থাকবে।
রান্নায় দই দিলে অনেক সময় তা দানা দানা মতো হয়ে যায়। এবার থেকে দই ভালো করে ফেটিয়ে যোগ করুন। দেখবেন সহজে সমস্যার সমাধান হবে।
তরকারির গ্রেভি ঘন করতে হলে অল্প পানিতে কর্নফ্লাওয়ার বা ময়দা গুলে গ্রেভিতে দিয়ে নাড়তে থাকুন। গ্রেভি ঘন হয়ে যাবে।
অনেক সময় রান্নায় বেশি হলুদ হয়ে গেলে কাঁচা হলুদের গন্ধ বেরোয় রান্না থেকে। সে ক্ষেত্রে খুন্তি আগুনে পুড়িয়ে তা দিয়ে তরকারি নেড়ে নিন, হলুদের গন্ধ থাকবে না। এছাড়া বেশি হলুদ হলে কয়েক টুকরা কাটা সুপারিও ফেলে দিতে পারেন।
বাঁধাকপি খেলে অনেকেরই পেটের নানারকম সমস্যা দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে বাঁধাকপিটা পানি সামান্য ভাপিয়ে নিলে সমস্যা আর হবে না।






















