রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গণঅভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে সর্বপ্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির : রাশেদ কক্সবাজার মাতারবাড়ি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে ড্যাব: জুবাইদা রহমান চুরির অপবাদে গাছে বেঁধে তরুণীকে মারধর, গ্রেপ্তার ২ কিশোরগঞ্জে অটোরিক্সাকে চাপা দিল যাত্রীবাহী বাস, নিহত ২ কুড়িগ্রামে শহিদমিনার শাপলা চত্বর ভেঙে সংকুচিত করায় জনমনে ক্ষোভ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন নিয়ে যে প্রশ্ন মঞ্জুর মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: মধ্যপ্রাচ্যে কি মার্কিন আধিপত্যের বিদায় ঘণ্টা বাজল? ‎লালমনিরহাট জেলা দলিল লেখক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

নরসিংদীতে চিরচেনা গ্রাম বাংলার মাটির ঘর প্রায় বিলুপ্ত

মোঃ সালাহউদ্দিন আহমেদ,নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি ।
  • Update Time : রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৩
  • ২২৩ Time View

মোঃ সালাহউদ্দিন আহমেদ : নরসিংদীতে হারিয়ে যেতে বসেছে মাটির ঘর এখন আর মাটির ঘর চোখে পড়ে না ঐতিহ্যের এই অংশটি ধীরে ধীরে স্থান পাচ্ছে স্মৃতির পাতায়। একসময় গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে ছিল মাটির ঘর। কিন্তু ইট-পাথরের দালানের ভিড়ে তা দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে মানুষের আধুনিক জীবনযাপনের ইচ্ছা ও আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সবাই মাটির ঘর ভেঙ্গে টিন আর ইটের পাকা বাড়ি তৈরি করেছেন।

বিলুপ্ত হতে চলেছে মাটির ঘর। মাটির সহজলভ্যতা, প্রয়োজনীয় উপকরণের প্রতুলতা আর শ্রমিক খরচ কম হওয়ায় আগের দিনে মানুষ মাটির ঘর বানাতে আগ্রহী ছিল। এ ছাড়া টিনের ঘরের তুলনায় মাটির ঘর অনেক বেশি আরামদায়ক। তীব্র শীতে ঘরের ভেতরটা থাকে বেশ উষ্ণ। আবার প্রচণ্ড গরমেও ঘরের ভেতর থাকে তুলনামূলক শীতল। জানা যায়, প্রাচীনকাল থেকেই মাটির ঘরের প্রচলন ছিল। এটেল বা আঠালো মাটি কাঁদায় পরিণত করে দুই-তিন ফুট চওড়া করে দেয়াল তৈরি করা হত।

১০-১৫ ফুট উচু দেয়ালে কাঠ বা বাঁশের সিলিং তৈরি করে তার ওপর খড় অথবা টিনের ছাউনি দেয়া হত। মাটি দিয়ে অনেক সময় দোতলা পর্যন্ত করা হতো ঘর। এসব মাটির ঘর তৈরি করতে কারিগরদের তিন-চার মাসের অধিক সময় লাগতো। গৃহিনীরা মাটির দেয়ালে বিভিন্ন রকমের আল্পনা এঁকে বসত ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেন। এক সময় জেলার প্রয় সব উপজেলা এলাকার অনেক পরিবার মাটির ঘরে বাস করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। তবে আগের তুলনায় এখন খুব কম এলাকায় মাঝে মাঝে চোখে পড়ে চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী এই মাটির ঘর।

মাটির ঘর তৈরির কারিগরও এখন পাওয়া যায় না আধুনিক ঘর-বাড়ী নির্মানের কারণে মাটির ঘরের কারিগররা হয়ে পড়েন কর্মহীন। জীবিকানির্বাহের কারণে কারিগররাও চলে গেছেন ভিন্ন ভিন্ন পেশায়। মাটির ঘরগুলো কেনো কমে যাচ্ছে সে ব্যাপারে স্থানীয়রা বলেন, মানুষ এখন কর্মমূখী। মানুষের আয়-রোজগার বাড়ার কারণে মানুষ দিন দিন সৌখিন হয়ে উঠছে। এছাড়া এ জেলার প্রচুর মানুষ বিভিন্ন দেশে গিয়ে অর্থনৈতিক ভাবে স্বচ্ছল হয়েছেন।

এ জন্য প্রবাসীরা ও স্বচ্ছল ব্যক্তিরা তাদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি পাওয়ায় ও পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে মাটির ঘরে থাকতে চায় না। এ জন্য মাটির ঘর ভেঙে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইনের করে পাকা দালান কোঠা নির্মাণ করছেন। তবে এখন মাটির ঘরের সংখ্যা কমতে কমতে প্রায় বিলুপ্তির কাছাকাছি।

কিউএনবি/আয়শা/১৯ নভেম্বর ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:৩২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit