বিনোদন ডেস্ক : মাহি পোস্টে জানান, ‘কোনোরকম পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই আমরা হঠাৎ টাঙ্গুয়ার হাওড় ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু হুট করে চাইলেই সেখানে বোট পাওয়া যায় না, ২০ তারিখের আগে কোনো বোট ফ্রি নাই, আমিও নাছোড়বান্দা, জামাইকে বলছি ১৭ তারিখে আমাকে নিয়ে যেতেই হবে। জামাই দিশা না পেয়ে ফোন করলেন সুনামগঞ্জের সাবেক ছাত্রনেতা ও কেন্দ্রীয় যুবনেতা ফজলে রাব্বী স্মরণ ভাইকে।
উনি অন্যজনের বুকিং ক্যানসেল করিয়ে তাদেরকে অন্য বোট দিয়ে ১৭ তারিখে আমাদের জন্য বোট রেডি করে দিলেন। বুঝতে পারলাম সুনামগঞ্জে তার বিশাল প্রভাব। ধন্যবাদ, ফজলে রাব্বী স্মরণ ভাই। আপনি ছাড়া এই ট্রিপ ক্যানসেল হয়ে যেত। ফারিশসহ আমরা ২২ জন দুই দিন এক রাত হাওড়ে অনেক আনন্দ করেছি। সমস্ত দায়িত্ব স্মরণ ভাই অনেক আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করেছেন।’
এ ঘটনার পরেই নেটিজেনদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন মাহি। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে কাজটা মোটেও ঠিক করেননি তিনি। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে মাহি বলেছেন, ‘সুনামগঞ্জে স্মরণ ভাইয়ার একটি রেস্টুরেন্ট আছে। সেখানে খাবার খাওয়ার সময় তিনি বলেছেন যে, এটির (বোট) তো বুকিং ছিল। পরে আমরা যে বোটে গেছি সেটা চেঞ্জ করে আরেকটা ম্যানেজ করে দিয়েছে তাদের (যারা বুকিং দিয়েছিলেন)।’
কিউএনবি/আয়শা/২১ অগাস্ট ২০২৩,/বিকাল ৫:২৪