মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সেনা পাঠাবে না যুক্তরাজ্য ইরানের বিদ্যুৎ স্থাপনা-খার্গ দ্বীপ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংসে ট্রাম্পের হুমকি সংসদে হাসনাত ভুল স্বীকারের পর যা বললেন সালাহউদ্দিন সম্প্রচার চুক্তি বাতিল, বাংলাদেশে দেখা যাবে না আইপিএল যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবীতে দুর্গাপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ আটোয়ারীতে মাসিক সমন্বয় সভা ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে মাদক দ্বন্দ্বে তরুণ খুন, গ্রেপ্তার ৮ নতুন ছবির ঘোষণা সালমানের, মুক্তি ঈদে ইরান কেন হরমুজের ওপর পূর্ণ সার্বভৌমত্ব চাচ্ছে, শুধুই কি রাজস্ব নাকি অন্য কিছু ঢাবির চারুকলা অনুষদে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু

পেঁয়াজে ঝাঁজ কমলেও আদায় আছে আগের মতোই

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৬ জুন, ২০২৩
  • ১৭৮ Time View

ডেস্ক নিউজ : আমদানি শুরুর পর থেকে পেঁয়াজের দাম কমছে। খুচরায় ভালো মানের ভারতীয় পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আগের সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা কমে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। কেরালা জাতের আদা ৩২০ থেকে ৩৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের মুরগি, ডিম ও সবজির দাম অনেকটা অপরিবর্তিত আছে।

এদিকে গত ১১ জুন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১০ টাকা কমিয়ে ১৮৯ টাকা নির্ধারণ করেছে। খুচরা বাজারে নতুন দামের বোতলজাত সয়াবিন না আসায় আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে তেল। ক্রেতারা বলছেন, যখন কোনো পণ্যের দাম বাড়ানো হয়, তখন সঙ্গে সঙ্গে বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি করা হয়। অথচ দাম কমানোর ঘোষণা দিলে সেই পণ্য বাজারে কম দামে পেতে অনেক সময় লাগে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর রামপুরা, বাড্ডা ও জোয়ারসাহারা বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি খুচরা দোকানে আমদানি ও দেশি পেঁয়াজ প্রচুর বেচা-বিক্রি হচ্ছে। দেশি পেঁয়াজের তুলনায় আমদানি পেঁয়াজের দাম কম। এ জন্য ক্রেতারা আমদানি পেঁয়াজ বেশি কিনছেন। পেঁয়াজের আমদানি বাড়লে দাম আরো কমবে বলে ব্যবসায়ীরা জানান।

দেশি রসুন কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ এবং আমদানি রসুন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এখনো নতুন বোতলজাত সয়াবিন তেল আসেনি, পুরনো বোতলজাত এক লিটার সয়াবিন তেল ১৯৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ও আমদানি করা কেরালা জাতের আদা মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৮০ টাকা কেজি। চীনের বড় আদার সরবরাহ না থাকায় এখনো ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতের পেঁয়াজ বাজারে আসার কারণে দাম ক্রেতার নাগালে চলে এসেছে। তা না হলে এখন ক্রেতাদের ১০০ টাকার বেশি দামে কিনতে হতো। এখন প্রতিদিনই বাজারে ভারতের পেঁয়াজ ঢুকছে, সামনে পেঁয়াজের দাম আরো কমে আসবে। ঈদের আগেই আমদানি পেঁয়াজের কেজি ৫০ টাকার নিচে চলে আসবে।

ক্রেতারা জানান, পেঁয়াজের আমদানি আরো কিছুদিন আগেই শুরু করা উচিত ছিল, তাহলে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে দাম বাড়াতে পারতেন না। ভোক্তাদের ৯০ থেকে ১০০ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনে খেতে হতো না। এখন ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে পেঁয়াজ কেনা যেত।

বাড্ডার ভাই ভাই স্টোরের ব্যবসায়ী আব্দুল হাই বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগেও দেশি পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকায় উঠেছিল। পরে গত ৫ জুন থেকে পেঁয়াজের আমদানি শুরু হওয়ায় দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা কমে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায় নেমেছে। ভারতের পেঁয়াজ বিক্রি করছি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।’

নতুন দরের বোতলজাত সয়াবিন তেলের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দাম কমার পরের দিনই আমরা কম্পানির প্রতিনিধিদের কাছে অর্ডার দিয়ে রেখেছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত নতুন দরের তেল আসেনি। তাই পুরনো তেল আগের দরেই বিক্রি করছি।’ আদার দামের বিষয়ে আব্দুল হাই বলেন, ‘বাজারে এখন আমদানি ও দেশি কেরালা জাতের আদা বিক্রি হচ্ছে কেজি ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকায়। চীনের আদা দীর্ঘদিন ধরেই বাজারে নেই।’

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, পেঁয়াজের দাম রোজার ঈদের পর থেকেই বাড়তে শুরু করেছিল। দেড় মাসের ব্যবধানে তা ৩০-৩৫ টাকা থেকে ১০০ টাকায় উঠে যায়। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার কথা বলে এত দিন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি কৃষি মন্ত্রণালয় না দিলেও পরিস্থিতি দেখে গত ৪ জুন সায় দেয়। তার পরের দিন ৫ জুন থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করেন আমদানিকারকরা। এর প্রভাব এরই মধ্যে বাজারে পড়েছে।

রামপুরা বাজারে কথা হয় ক্রেতা নাঈম ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘রামপুরা বাজারের প্রত্যেকটি দোকান ঘুরেও কোথাও নতুন দরের তেল পাওয়া যায়নি। প্রত্যেকটি দোকান আগের দরের তেল বিক্রি করছে। অথচ তেলের দাম কমিয়েছে আরো চার দিন আগে। সরকারের পক্ষ থেকে বাজার তদারকি না করার কারণেই এই অবস্থা।’

সবজির বাজার : 

রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে গতকাল পটোল কেজি ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৭০ টাকা, টমেটো ৬০ থেকে ৭০ টাকা, শসা ৪০ থেকে ৬০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, পেঁপে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চালকুমড়া প্রতিটি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কাঁকরোল কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা ও কচুরমুখী ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৬ জুন ২০২৩,/বিকাল ৫:৩২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit