হুইল চেয়ারে বসে চার-ছক্কা মারতে ভারত যাচ্ছে বাংলাদেশের দল
Reporter Name
Update Time :
শুক্রবার, ৫ মে, ২০২৩
১৫৫
Time View
বাদল আহাম্মদ খান ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : হুইল চেয়ারে বসে চার-ছক্কা মারতে ভারত যাচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেট দল। আগামী ৭, ৮ ও ৯ মে কলকতার এনকেডিএ স্টেডিয়ামে ভারতের হুইল চেয়ার ক্রিকেট দলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে মোট তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবেন তারা। আগামী ১১ মে তারা দেশে ফিরবেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন ড্রিম ফর ডিজ-অ্যাবিলিটি ফাউন্ডেশন হুইলচেয়ার ক্রিকেট দলটি তৈরি করেছে। ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজ খেলতে শনিবার সকালের বিমানে ঢাকা থেকে ভারতের কলকাতায় যাচ্ছে বাংলাদেশের এই ‘হুইলচেয়ার ক্রিকেট টিম’। ডিডিএফ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৭, ৮ ও ৯ মে কলকতার এনকেডিএ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ বনাম ইন্ডিয়া হুইল চেয়ার ক্রিকেট বাইলিটারেল (দ্বিপাক্ষিক) সিরিজ ২০২৩ অনুষ্ঠিত হবে। টি-টোয়েন্টির তিন ম্যাচের দ্বিপাক্ষিক এই সিরিজে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিডিএফ হুইল চেয়ার ক্রিকেট দলের সঙ্গে ভারতের দিল্লীর হুইল চেয়ার ক্রিকেট দল অংশ নিবেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিডিএফ হুইল চেয়ার ক্রিকেট দলের ১২জন খেলোয়াড়সহ ২৫ জন শনিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন। এ উপলক্ষে শুক্রবার বেলা চারটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে সারা দেশের শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে ডিডিএফ হুইল চেয়ার ক্রিকেট দল গঠন করে প্রতিবন্ধী হেদায়েতুল আজিজ মুন্না। দিল্লী-২০১৭সালে এই দল ডিডিএফ হুইল চেয়ার ক্রিকেট টিম টি-টোয়েন্টি খেলতে প্রথমবার ভারতে যায়। দেশের বাইরে হুইল চেয়ার ক্রিকেট খেলায় অংশ নেওয়া বাংলাদেশের পক্ষে ডিডিএফ হুইল চেয়ার ক্রিকেট টিমই ছিল প্রথম দল। ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল ভারতের হুইল চেয়ারের ক্রিকেট দলের সঙ্গে খেলে তারা জয়ী হয়।ড্রিম ফর ডিজ-অ্যাবিলিটি ফাউন্ডেশন হুইলচেয়ার ক্রিকেট দলের প্রতিষ্ঠাতা হেদায়েতুল আজিজ জানান, ভারত থেকে আমন্ত্রণ পাওয়ার পর খেলার সরঞ্জাম ও হুইলচেয়ার এবং ক্রিকেট খেলার অনুশীলন নিয়ে তাঁরা অনেক পরিশ্রম করেছেন।ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ভারত সফরের বিমান ভাড়া বাবদ তিন লাখ টাকা দিয়েছেন। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন মো. শাহগীর আলম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান চিকিৎসক আবু সাঈদ, স্বপ্ন তরী নামের একটি সংগঠন ও আবদুল মালেক নামে এক ব্যক্তি তাদেরকে অর্থের জোগান দেওয়াসহ বিভিন্ন কাজে সহায়তা করেছেন।