মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হাবিপ্রবির বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময় জাতীয় অধ্যাপক হলেন ড. মাহবুব উল্লাহ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে উন্নয়নের গতি বাড়বে: পরিবেশমন্ত্রী সৌদির তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি হুথিদের সিজদা—যেখানে হৃদয়ের সব ভার হালকা হয়ে যায় ৯ বছরের ছোট ক্রিকেটারের সঙ্গে ম্রুণালের প্রেমের গুঞ্জন শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী এইচএসসি ভোকেশনালে শিক্ষার্থী ভর্তি বাড়াতে ৭ পদক্ষেপ নওগাঁর ধামইরহাট হাসপাতালে গর্ভবতী স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, স্বামী আটক সব বিশ্ববিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপের পরিকল্পনা ইউজিসির

১০২তম জন্মবার্ষিকীতে সত্যজিৎ রায়

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২ মে, ২০২৩
  • ৯৫ Time View

বিনোদন ডেস্ক : বাংলা চলচ্চিত্রের গতিপথ যিনি বদলে দিয়েছিলেন তিনি সত্যজিৎ রায়। তিনি একাধারে চলচ্চিত্র পরিচালক, সংগীত পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও লেখক। তার কাজের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে। তার অর্জনের ঝুলিতে রয়েছে অস্কারসহ বহু আন্তর্জাতিক সম্মাননা।

১৯২১ সালের ২ মে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন এই নির্মাতা। আজ এই কিংবদন্তির ১০২তম জন্মদিন।

কলকাতায় জন্মালেও তার পৈত্রিক নিবাস বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি উপজেলার মসূয়া গ্রামে। সত্যজিৎ ছিলেন বিখ্যাত লেখক, চিত্রকর ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর নাতি এবং বাংলা সাহিত্যের জনক সুকুমার রায়ের ছেলে।

ভারতীয় চলচ্চিত্র তথা বিশ্ব চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ পরিচালকদের মধ্যে অন্যতম সত্যজিৎ রায়। ১৯৪৯ সালে ফ্রেন্স পরিচালক জঁ রনোয়ার সাথে পরিচয়ের পর এবং বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘দি বাইসাইকেল থিফ’ দেখার পর তার চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহ জন্মায়। জঁ রনোয়ার মূলত ‘দি রিভার’ চলচ্চিত্রের শ্যুটিংয়ের জন্য কলকাতায় আসেন এবং সেখানে তার সাথে সত্যজিতের পরিচয় হয়। ঐ সময়ই সত্যজিৎ রনোয়ারের সাথে ‘পথের পাঁচালী’র চলচ্চিত্রায়ণ নিয়ে কথা বলেন এবং রনোয়ার এ ব্যাপারে তাকে এগিয়ে যেতে উৎসাহ দেন।

১৯৫৫ সালে মুক্তি পায় তার প্রথম ছবি ‘পথের পাচালি’ – যা সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে পরিগনিত হয়। ছবিটি ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে যার মধ্যে অন্যতম হল কান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বেস্ট ডকুমেন্টরি ফিল্ম’ অর্জন।

চলচ্চিত্রের পাশাপাশি সাহিত্যকর্মেও ছিল তার অগাধ দক্ষতা ছিল। বাংলা সাহিত্যের রোমাঞ্চকর কিছু গল্প লিখে যান তিনি। ফেলুদা, প্রফেসর শঙ্কু, তাড়িনি খুড়ো তার বেশ কিছু অমর চরিত্র। লেখালেখির পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার ও সংগীত পরিচালক হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামের পাশাপাশি যার কারণে বিশ্বদরবারে বাঙালিকে চেনা যায় তিনি হলেন সত্যজিৎ রায়৷ পাশাপাশি, বাঙালির একমাত্র অস্কার আসে তাঁর হাত ধরেই। চলচ্চিত্র সমালোচক হিসেবেও সুপরিচিত তিনি।

সত্যজিতের নির্দেশনার প্রকৃতি অভিনেতার প্রতিভা ও অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করত। উৎপল দত্তের মত অভিনেতাদের তেমন কোন নির্দেশনাই তিনি দেননি, অন্যদিকে অপু চরিত্রে সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়কে কিংবা অপর্ণা চরিত্রে শর্মিলা ঠাকুরকে তিনি অনেকটা ‘পুতুলের’ মত ব্যবহার করেছেন।

তার শ্রেষ্ঠ কিছু কাজের মধ্যে রয়েছে ‘জয় বাবা ফেলুনাথ’, ‘সোনার কেল্লা’, ‘অপু ট্রিলোজি’, ‘হীরক রাজার দেশে’, ‘গুপী গাইন ও বাঘা বাইন’, ‘অরন্যের দিনরাত্রি’, ‘দেবী’সহ আরো অনেক।

৩২টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের পাশাপাশি সত্যজিৎ রায় পান ‘বিবিসির শ্রেষ্ঠ বাঙালি’ (১৩তম) উপাধি। পাশাপাশি, পদ্মভূষণ ও ভারতরত্ন পুরস্কারে সম্মানিত হন তিনি।

কিউএনবি/অনিমা/০২ মে ২০২৩,/বিকাল ৩:৩১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit