লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : শরীরের বাহ্যিক গঠন নিয়ে এখন অনেকেই বেশ সচেতন। তাই পেটে একটু মেদ বাড়লেই চিন্তায় পরে যান অনেকে। দ্রুত পেটের ফ্যাট কমাতে গিয়ে অনেক রকমের ঔষধ খেয়ে হিতে বিপরীত ডেকে আনেন। কিন্তু জানলে অবাক হয়ে যাবেন, আমাদের হাতের কাছে থাকা কিছু খাবারই পেটের মেদ কমিয়ে দিতে পারে। শুধু ডায়েটে পরিবর্তন আনাটাই জরুরি।
১. বিনস খান নিয়মিত
বিনস বলতে কিন্তু এখানে কিডনি বিনসের কথা বলা হচ্ছে। এই খাবারটি এখন সহজলভ্য। এতে রয়েছে এমন কিছু ফাইবার যা ওজন কমায়। এ ছাড়া পেটের মেদ কমাতে এর জুড়ি মেলা ভার। সেই সঙ্গে এতে থাকা কিছু উপাদান শরীরের প্রদাহ কমাতে পারে। এমনকি বিনস খেলে বডি ফ্যাটও কমে। তাই বিনস নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করুন।

২. দই
গরমকালে দই খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে। তাই তীব্র দাবদাহে দইয়ের ঘোল, লাচ্ছি বানিয়ে খাওয়ারও প্রচলন রয়েছে। তবে ভুঁড়ি কমাতে চাইলেও আপনার হাতিয়ার হতে পারে দই। তবে এ ক্ষেত্রে ফ্যাটলেস দুধের টকদই খেতে হবে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ফ্যাটলেস দই খেলে দ্রুত ওজন ঝরে। তাই ভুঁড়ি কমাতে ভরসা রাখুন এই দুগ্ধজাত খাবারের উপর।
৩. ব্রকোলি
বর্তমানে স্বাস্থ্য সচেতন নাগরিকদের ডায়েটে জায়গা করে নিচ্ছে ব্রকোলি। এই সবজির অনেক গুণ রয়েছে। এতে আছে ভিটামিন সি, ফাইবারের ভাণ্ডার। এই সবজি খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে ফলে ক্ষুধা কম পায়। এই কারণে ওজন ও ভুঁড়ি দুইই কমে। এই সবজি স্যালাড হিসাবে খাওয়া যায়। চাইলে রান্না করেও ব্রকোলি খেতে পারেন।

৪. অ্যাপেল সিডার ভিনেগার
অ্যাপেল সিডার ভিনেগার কিন্তু বহু সমস্যার সমাধান করতে পারে। আসলে ভিনেগারের মধ্যে রয়েছে অ্যাসিটিক অ্যাসিড যা ফ্যাট মেটাবলিজম শুরু করে দেয়। ফলে দ্রুত ফ্যাট ঝরতে থাকে। তবে সরাসরি নয়, বরং ডাইলুটেড ভিনেগার খেতে হবে। আর ভিনেগার খাওয়ার আগে অবশ্যই একবার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
৫. ভুঁড়ি কমাতে ওটস
এই দানাশস্য কিন্তু ফাইবারে ভরপুর। আর এই ফাইবার শরীরের বিভিন্ন উপকার করে। তাই ভুঁড়ি কমাতে চাইলে অবশ্যই ওটস খাওয়া উচিত। এটা দীর্ঘক্ষণ পেট ভর্তি রাখে। ফলে ক্ষুধা কম লাগে। এ ছাড়া ভুঁড়ি কমানোর পাশাপাশি ওটস ব্লাড সুগার, কোলেস্টেরলও নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে সব দিক থেকেই সুরক্ষিত থাকবেন।
কিউএনবি/আয়শা/১৩ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ৮:৪০