বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন সাংবাদিক নঈম নিজামসহ ৩ জন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ ২০২৬ সালে আসছে যেসব ফোল্ডেবল ফোন ‘বিশ্বকাপে না খেললে বিসিবির কোনো ক্ষতি হবে না’ নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে টেনমিনিটস ব্রিফ মোহনগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী সুমা আক্তারের সংবাদ সম্মেলন আলাদীপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র প্রজন্ম দলের কমিটির উপজেলা কমিটি কর্তৃক অনুমোদন॥ বিজিবি সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৮৮লক্ষ টাকার মাদক আটক॥ নরসিংদীতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ ৭ জন গ্রেপ্তার চৌগাছায় বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলোর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

ভোগের কভার পেজে ১০৬ বছরের ফিলিপিনো নারী

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৯৪ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন লাইফস্টাইল ও ফ্যাশন বিষয়ক ম্যাগাজিন ‘ভোগ’। সারা বিশ্বে জনপ্রিয় এই ফ্যাশন ম্যাগাজিন। যাত্রা শুরু ১৮৯২ সালে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নামি-দামি মডেল, খেলোয়াড়, অভিনেতা, অভিনেত্রী এই ম্যাগাজিনের কভার পেজ আলোকিত করেছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকাশিত হয় এর একাধিক সংস্করণ। এবার এপ্রিলের সংস্করণে বেশ বড় চমক দিয়েছে ম্যাগাজিনটির ফিলিপিন্স ভার্সন। কভার গার্ল করেছে অপো হ্যাং-ওড নামের এক নারীকে। যার বয়স ১০৬ বছর। 

লাইফস্টাইল বিষয়ক সাময়িকীটির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সি কভার তারকা অপো হ্যাং। অপো হ্যাং ফিলিপাইনের বাসিন্দা। পেশায় একজন ট্যাটু শিল্পী। ভোগ ফিলিপাইন তার এপ্রিল সংখ্যার কভার স্টার হিসাবে অপো হ্যাংকে বেছে নিয়েছে। এই বৃদ্ধা ফিলিপাইনে মারিয়া ওগে নামেও পরিচিত। কলিঙ্গা প্রদেশের ম্যানিলার প্রায় ১৫ ঘণ্টা উত্তরে বুসকালানের পাহাড়ি গ্রামে বসবাস অপোর। তাকে দেশের প্রাচীনতম মাম্বাবাটোক বা ঐতিহ্যবাহী কলিঙ্গ ট্যাটু শিল্পী হিসাবে বিবেচনা করা হয়। অপো হ্যাং ১০ বছর বয়স থেকেই ট্যাটুর কাজ করে আসছেন। 

মূলত বাবার কাছ থেকেই ট্যাটু আঁকা শেখেন অপো। পরে এটাকেই বেছে নেন পেশা হিসাবে। হ্যান্ড-ট্যাপিং ট্যাটুর শিল্পকে আলাদা উচ্চতা দিয়েছেন এই নারী। বাঁশের লাঠি, একটি পোমেলো গাছের কাঁটা, জল এবং কয়লা ব্যবহার করে ট্যাটু করেন অপো হ্যাং। এই শিল্পীর হাতে ট্যাটু করার জন্য বিশ্বেরও বিভিন্ন প্রান্তের ট্যাটুপ্রেমীরা বুসকালান আসেন।

ভোগকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অপো হ্যাং বলেন, আমি একমাত্র বেঁচে আছি যে এখনও এই ট্যাটু করতে পারে। কিন্তু আমি ভীত নই যে ঐতিহ্যটি শেষ হয়ে যাবে কারণ আমি প্রশিক্ষণ দিচ্ছি পরবর্তী ট্যাটু মাস্টারদের। যতদিন মানুষ ট্যাটু করতে আসছেন, ততদিন এই ঐতিহ্য অব্যাহত থাকবে। সিএনএন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০১ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ১০:২৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

January 2025
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit