বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্র সফরে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট, কঠোর হুঁশিয়ারি চীনের

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৯ মার্চ, ২০২৩
  • ১০২ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এদিকে তাইওয়ান প্রেসিডেন্টের এই সফরে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠিন পরিণাম ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে চীন। এমনকি দুই প্রতিনিধির এ সাক্ষাত এক চীন নীতিকে গুরুতরভাবে লঙ্ঘন করবে বলেও জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং সরকার। তবে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন বলেছেন, ‘বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করার সব অধিকার তাইওয়ানের রয়েছে।’ দীর্ঘদিন ধরেই তাইওয়ান ইস্যুতে উত্তপ্ত চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক। বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া দ্বীপটিকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে আসছে চীন। তবে নিজেদের স্বাধীন ও স্বায়িত্বশাসিত হিসেবে দাবি করছে তাইওয়ান।

এ অবস্থায় চীনা হুমকি উপেক্ষা করে তাইপের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র বিক্রি করায় অঞ্চলটিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। চীনের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই বুধবার (২৯ মার্চ) মধ্য আমেরিকা সফর শুরু করেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন। ১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রেও যাবেন তিনি। বার্তা সংস্থাগুলো প্রতিবেদন মতে, মধ্য আমেরিকা সফরকালে বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রা বিরতিতে করবেন তাইওয়ান প্রেসিডেন্ট।

এ সময় মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি ছাড়াও কংগ্রেসের অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। নিউইয়র্কে একটি সভায় ভাষণ দেবেন তিনি। অন্যদিকে এশিয়ায় ফেরার সময় ক্যালিফোর্নিয়ার রোনাল্ড রিগ্যান প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরিতে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে তার।

এদিকে তাইওয়ানের প্রেসিডন্টের এ সফরকে কেন্দ্র করে আরও একবার চীনাদের চক্ষুশুল হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ সফরে স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি যদি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করেন, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে এর কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দিয়েছে চীন। এমনকি তাদের এ সাক্ষাত এক চীন নীতিকে গুরুতরভাবে লঙ্ঘন করবে বলেও জানিয়েছে শি জিনপিং সরকার।

ওয়াশিংটন ডিসি বা যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সফরে যাওয়ার নিয়ম নেই তাইওয়ানের কোনো প্রেসিডেন্টের। তবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অধীনে ২০১৮ সালে তাইওয়ান ভ্রমণ আইন পাস হয়। ফলে তাইওয়ান ও মার্কিন কর্মকর্তাদের দেখা করাটা বেশ সহজ হয়েছে। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকায় তাইপে-ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে।

গত বছর চীনের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে তাইওয়ান সফরে যান মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সাবেক স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। তার এই সফরকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনা করে বেইজিং। পাশাপাশি ওয়াশিংটনকে এর ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও হুমকি দেয় চীনা সরকার। এমনকি মার্কিন স্পিকারের তাইওয়ান সফর ঘিরে যুদ্ধবিমান ও রণতরীর পাল্টাপাল্টি মহড়া চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।

কিউএনবি/আয়শা/২৯ মার্চ ২০২৩,/রাত ১১:১৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit