শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন

সংগীত শিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ!

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০২৩
  • ১০০ Time View

বিনোদন ডেস্ক : দেশাত্মবোধক গান গেয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন সংগীত শিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ২০১৯ সালের ২৩ মার্চ ঢাকার বারিধারায় নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। আজ তার চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী।

তার উল্লেখযোগ্য গানসমূহের মধ্যে রয়েছে এক নদী রক্ত পেরিয়ে, একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়ে, একতারা তুই দেশের কথা বলরে‌ এবার বল্, প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, আমায় যদি প্রশ্ন করে, যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়। এর মধ্যে প্রথম তিনটি গান বিবিসির একটি জরিপে সর্বকালের সেরা বিশটি বাংলা গানের তালিকায় স্থান পায়।
১৯৯২ সালে তিনি একুশে পদক এবং ১৯৯০ সালে ছুটির ফাঁদে চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পী হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।শাহনাজ রহমতুল্লাহ ১৯৫২ সালের ২ জানুয়ারি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম এম ফজলুল হক ও মাতার নাম আসিয়া হক। শাহনাজের ভাই আনোয়ার পারভেজ সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক এবং আরেক ভাই জাফর ইকবাল ছিলেন চলচ্চিত্র অভিনেতা ও গায়ক। তিনি গান শিখেছেন গজল সম্রাট মেহেদী হাসানের কাছে।১৯৬৩ সালে ১০ বছর বয়সে ‘নতুন সুর’ নামক চলচ্চিত্রে কণ্ঠ দেয়ার মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু হয়। ১৯৬৪ সালে প্রথম টেলিভিশনে তার গাওয়া গান প্রচারিত হয়। তিনি গাজী মাজহারুল আনোয়ার, আলাউদ্দিন আলী, খান আতা প্রমুখের সুরে গান গেয়েছেন। পাকিস্তানে থাকার সুবাদে করাচী টিভিসহ উর্দু ছবিতেও গান করেছেন।শাহনাজ রহমতুল্লাহর গানের অ্যালবামের মধ্যে রয়েছে- বারটি বছর পরে ও শুধু কি আমার ভুল।
এছাড়াও গুনাই (১৯৬৬), ডাক বাবু (১৯৬৬), বেহুলা (১৯৬৬), নবাব সিরাজউদ্দৌলা (১৯৬৬), সাইফুল মুল্‌ক্‌ বদিউজ্জামাল (১৯৬৭), নয়নতারা (১৯৬৭), আনোয়ারা (১৯৬৭), রাখাল বন্ধু (১৯৬৮), সাত ভাই চম্পা (১৯৬৮)বাঁশরী (১৯৬৮), সুয়োরানী দুয়োরানী (১৯৬৮),পীচ ঢালা পথ (১৯৬৮), এতটুকু আশা (১৯৬৮), পরশমণি (১৯৬৮), মুক্তি (১৯৬৯), ভানুমতি (১৯৬৯), পাতালপুরীর রাজকন্যা (১৯৬৯), আলিঙ্গন (১৯৬৯), নীল আকাশের নিচে (১৯৬৯), বিজলী (১৯৭০), মধুমিলনসহ অনেক সিনেমার গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।

তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে- একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়, প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, এক নদী রক্ত পেরিয়ে, আমার দেশের মাটির গন্ধে, একতারা তুই দেশের কথা বল রে এবার বল, আমায় যদি প্রশ্ন করে, কে যেন সোনার কাঠি, মানিক সে তো মানিক নয়, যদি চোখের দৃষ্টি, সাগরের তীর থেকে খোলা জানালা, পারি না ভুলে যেতে, ফুলের কানে ভ্রমর এসে, আমি তো আমার গল্প বলেছি, আরও কিছু দাও না একটি কুসুম তুলে নিয়েছি, ক্ষণিকের ভালো লাগা মনেতে দোলা দিয়ে, এই জীবনের মঞ্চে মোরা কেউবা কাঁদি কেউবা হাসি।শাহনাজ রহমতুল্লাহ ১৯৭৩ সালে আবুল বাশার রহমতুল্লাহকে বিয়ে করেন। এই দম্পতির এক কন্যা ও এক পুত্র রয়েছে। তারা হলেন নাহিদ রহমতউল্লাহ এবং একেএম সায়েফ রহমতউল্লাহ।তিনি বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পী (১৯৯০), একুশে পদক (১৯৯২), বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার ও বাচসাস পুরস্কার পেয়েছেন।

 

 

কিউএনবি/অনিমা/২৭ মার্চ ২০২৩,/দুপুর ১২:৫২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit